কিওয়ের স্পোর্টস বাইক টিএক্সএম ১৫০

তরুণরা স্টাইলিশ মোটরসাইকেল চালাতে পছন্দ করেন। বিশেষ করে দেখতে আকর্ষণীয় এবং শক্তপোক্ত সাইকেল সবার নজরকাড়ে। মোটরসাইকেলের কেনার ক্ষেত্রে এটির গতি বিবেচনায় আনেন অনেকেই। এমনই একটি মোটরসাইকেল কিওয়ের স্পোর্টস বাইক টিএক্সএম ১৫০। তাইওয়ানের এই মোটরসাইকেলটি বেনেলির আদলে তৈরি। প্রবাদ আছে প্রথমে দর্শনধারী এরপর গুণবিচারি। এক্ষেত্রে টিক্সিএম প্রথম দেখাতেই যে কারে ভালো লাগবে। ভালো লাগার আরও কারণ রয়েছে। এটি দেখতে অনেকটা হোন্ডার এক্সএলের সঙ্গে মিল রয়েছে। এটির প্রশস্ত হাতল, উচ্চতা এবং চাকার ব্যাস সব খানেই এক্সএলের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। টিএক্সএমকে হালকা-পাতলা করার জন্য এটির বডির বেশ কয়েক জায়গায় প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়েছে। সামনে ও পেছনের মার্ড গার্ড, ইঞ্জিনের কভার, ফুয়েল ট্যাংকের উপরের আবরণে…

Review Overview

User Rating: 4.93 ( 3 votes)

তরুণরা স্টাইলিশ মোটরসাইকেল চালাতে পছন্দ করেন। বিশেষ করে দেখতে আকর্ষণীয় এবং শক্তপোক্ত সাইকেল সবার নজরকাড়ে। মোটরসাইকেলের কেনার ক্ষেত্রে এটির গতি বিবেচনায় আনেন অনেকেই। এমনই একটি মোটরসাইকেল কিওয়ের স্পোর্টস বাইক টিএক্সএম ১৫০। তাইওয়ানের এই মোটরসাইকেলটি বেনেলির আদলে তৈরি।

প্রবাদ আছে প্রথমে দর্শনধারী এরপর গুণবিচারি। এক্ষেত্রে টিক্সিএম প্রথম দেখাতেই যে কারে ভালো লাগবে। ভালো লাগার আরও কারণ রয়েছে। এটি দেখতে অনেকটা হোন্ডার এক্সএলের সঙ্গে মিল রয়েছে। এটির প্রশস্ত হাতল, উচ্চতা এবং চাকার ব্যাস সব খানেই এক্সএলের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

keeway txm 150  review

টিএক্সএমকে হালকা-পাতলা করার জন্য এটির বডির বেশ কয়েক জায়গায় প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়েছে। সামনে ও পেছনের মার্ড গার্ড, ইঞ্জিনের কভার, ফুয়েল ট্যাংকের উপরের আবরণে প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়েছে।

মসৃণ সিটকভার, হেডলাইট এবং টেইল লাইটেও আছে জাদুকরী ছোঁয়া। এটিতে সওয়ার হলে মনে হবে আপনাকে নিয়ে যেনো এটি উড়াল দেবে।

কিওয়ে টিক্সএম ১৫০ মডেলের ইঞ্জিন এয়ারকুলড কিও্যে৪ স্টোক, এসওএইচসি সিঙ্গেল সিলিন্ডার। দুই ভাল্ববের ইঞ্জিনের ডিসপ্লেসমেন্ট ১৪৮ সিসি। ইঞ্জিনের ঘূর্ণন গতি ১৪ বিএইচপি@আরপিএম, টর্কের ঘূর্ণন গতি ১৩ এনএম@৬৫০০আরপিএম।

এটির ইগনিশন সিস্টেম টিএলআই। কিক এবং সেলফ দু’ভাবেই মোটরসাইকেলটি স্টার্ট করা যায়। এটিতে ফাইভ স্প্রিড গিয়ার বক্স রয়েছে।

কিওয়ের স্পোর্টস বাইক টিএক্সএম ১৫০

টিক্সএমের সামনের চাকায় আছে টেলিস্কোপিক সাসপেনশন। পেছনের চাকায় মনোশকঅ্যাবসর্ভার লাগানো হয়েছে। ফলে পূর্ণ গতিতেও খুব বেশি একটা ঝাঁকুনি দেয় না। মোটরসাইকেলটির ওজন ১৪৬ কিলোগ্রাম।

গতির লাগাম পড়ানোর জন্য সামনের চাকায় ডিস্কব্রেক এবং পেছনের চাকায় ড্রাম ব্রেক আছে। এটির দু’চাকায়ই টিউবলেস টায়ার। চাকায় ১০ স্পোক অ্যালুমিনিয়ামের রিম আছে।

প্রতি লিটার পেট্রোল পুড়িয়ে এটি ৪০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে পারে।

বাংলাদেশে কিওয়ে মোটর সাইকেল আমদানী এবং বাজারজাত করছে স্প্রিডোজ লিমিটেড। মহাখালীর আমতলীতে প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব শোরুম রয়েছে। স্প্রিডোজের কর্মকর্তা ফয়সাল বাংলামেইলকে জানান, কিওয়ের টিএক্সএম মডেলের মূল্য ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

About শুভ্র সেন

সবাইকে শুভেচ্ছা । আমি শুভ্র,একজন বাইকপ্রেমী । ছোটবেলা থেকেই মোটরসাইকেলের প্রতি আমার তীব্র আগ্রহ রয়েছে । যখন আমি আমার বাড়ির আশেপাশে কোন মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনের শব্দ শুনতে পেতাম, আমি তৎক্ষণাৎ মোটরসাইকেলটি দেখার জন্য ছুটে যেতাম ।২ বছর ধরে গবেষণা ও পরিকল্পনার পর আমি এই ব্লগটি তৈরী করি । আমার লক্ষ্য হল বাইক ও বাইক চালানো সম্পর্কে বাংলাদেশের মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেয়া । সবসময় নিরাপদে বাইক চালান । আপনার বাইক চালানো শুভ হোক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: সকল লেখা সুরক্ষিত !!