টিভিএস বাংলাদেশে নিয়ে এলো স্কুটি জেস্ট ১১০

অতি সম্প্রতি টিভিএস অটো বাংলাদেশ লিমিটেড দেশের বাজারে স্কুটি জেস্ট ১১০ নিয়ে এসেছে। এই স্কুটি সম্পর্কে আপনাদের জানাতেই আমাদের আজকের আয়োজন। চলুন তাহলে শুরু করা যাক। কয়েক মাস আগে টিভিএস অটো বাংলাদেশ নতুন ছয়টি মডেলের বাইক, স্কুটার ও মোপেড (কম ক্ষমতাসম্পন্ন ও হাল্কা মোটর সাইকেল) বাজারে ছেড়েছে। আর সম্প্রতি তারা টিভিএস স্কুটি জেস্ট ১১০ নিয়ে এসেছে। টিভিএস তার আগের স্কুটি পেপ প্লাস এর পরিবর্তে ১১০ সিসির জেস্ট ১১০ বাংলাদেশে নিয়ে এসেছে। কারণ তারা ৯০ সিসির পেপ প্লাস আর বাজারে চালাবে না। টিভিএস স্কুটি জেস্ট ১১০ মূলত যারা তুলনামূলক অধিক শক্তিশালী ও জ্বালানি সাশ্রয়ী স্কুটি খুঁজছেন তাদেরকে উদ্দেশ্যে করেই বাজারে ছাড়া…

Review Overview

User Rating: 4.63 ( 2 votes)

অতি সম্প্রতি টিভিএস অটো বাংলাদেশ লিমিটেড দেশের বাজারে স্কুটি জেস্ট ১১০ নিয়ে এসেছে। এই স্কুটি সম্পর্কে আপনাদের জানাতেই আমাদের আজকের আয়োজন। চলুন তাহলে শুরু করা যাক।

টিভিএস স্কুটি জেস্ট ১১০কয়েক মাস আগে টিভিএস অটো বাংলাদেশ নতুন ছয়টি মডেলের বাইক, স্কুটার ও মোপেড (কম ক্ষমতাসম্পন্ন ও হাল্কা মোটর সাইকেল) বাজারে ছেড়েছে। আর সম্প্রতি তারা টিভিএস স্কুটি জেস্ট ১১০ নিয়ে এসেছে।

টিভিএস তার আগের স্কুটি পেপ প্লাস এর পরিবর্তে ১১০ সিসির জেস্ট ১১০ বাংলাদেশে নিয়ে এসেছে। কারণ তারা ৯০ সিসির পেপ প্লাস আর বাজারে চালাবে না।

টিভিএস জেস্ট ১১০ এর স্পিডোমিটারটিভিএস স্কুটি জেস্ট ১১০ মূলত যারা তুলনামূলক অধিক শক্তিশালী ও জ্বালানি সাশ্রয়ী স্কুটি খুঁজছেন তাদেরকে উদ্দেশ্যে করেই বাজারে ছাড়া হয়েছে। কারণ ঢাকার মতো যানজটের শহরে অল্প ক্ষমতার ছোটো সিসির ইঞ্জিন অতোটা কার্যকরী নয়।

তাছাড়া জানেনই তো স্কুটার চালকরা প্রায় সময়ই তাদের স্কুটারে পিলিয়ন- তা সে বন্ধু, বাচ্চা-কাচ্চা বা পরিবার-পরিজন যেই হোক না কেনো- নিয়ে ঘুরতে পছন্দ করে। সেজন্য বুঝতেই তো পারছেন শুধু জ্বালানি সাশ্রয়ী হলেই হবে না অধিক শক্তিশালী ইঞ্জিনও দরকার তাদের। আর এই প্রয়োজন মেটাতেই টিভিএস অটো এই ১১০ সিসির স্কুটারটি বাংলাদেশে ছেড়েছে।

টিভিএস স্কুটি জেস্ট ১১০ এর পিছনদিকটিভিএস ইন্ডিয়া’র দাবি অনুযায়ী টিভিএস স্কুটি জেস্ট ১১০ একাধারে যেমন তেমন জ্বালানি সাশ্রয়ী, তেমনি অধিক শক্তিশালীও বটে। পাশাপাশি এতে আরো বেশ কিছু জরুরি ফিচারও যোগ করেছে টিভিএস।

টিভিএস স্কুটি জেস্ট ১১০ এর টেকনিকাল স্পেসিফিকেশনে যাওয়ার আগেই বলে দিচ্ছি, এর ইঞ্জিন সর্বোচ্চ ৫.৯ কিলোওয়াট শক্তি এবং ৮.৭ নিউটন মিটার টর্ক উৎপন্ন করতে পারে। আর এটি প্রতি লিটারে চলে ৬২ কিমি। এই মাইলেজ ইন্ডিয়ার সবচেয়ে জ্বালানি সাশ্রয়ী স্কুটার পেপ প্লাসের খুবই নিকটবর্তী; পেপ প্লাস লিটারে চলে ৬৫ কিমি।

তাহলে বুঝতেই পারছেন, টিভিএস তাদের নতুন স্কুটি জেস্ট ১০০ এ কতো সব সুবিধার সংমিশ্রণ ঘটিয়েছে! যাহোক, আজ এ পর্যন্তই। এখন তবে টিভিএস স্কুটি জেস্ট ১১০ এর টেকনিকাল স্পেসিফিকেশনটা দেখে নেওয়া যাক।

টিভিএস জেস্ট ১১০ এর জ্বালানি সাশ্রয়

টিভিএস স্কুটি জেস্ট ১১০ এর টেকনিকাল স্পেসিফিকেশন

ইঞ্জিন সিঙ্গেল সিলিন্ডার ৪-স্ট্রোক, সিভিটিআই এয়ার কুলড ইঞ্জিন
ডিসপ্লেসমেন্ট ১০৯.৭ সিসি
বোর x স্ট্রোক ৫৩.৫ মিমি x ৪৮.৮ মিমি
কম্প্রেশন রেশিও ৯.৫ : ১
সর্বোচ্চ ক্ষমতা ৫.৯ কিলোওয়াট @ ৭৫০০ আরপিএম
সর্বোচ্চ টর্ক ৮.৭ নিউটন মিটার @ ৫৫০০ আরপিএম
ইগনিশন ডিজিটাল আইডিআই ইগনিশন
স্টার্টিং কিক ও ইলেকট্রিক
আয়তন (দৈর্ঘ্য x প্রস্থ x উচ্চতা) ১৭৭০ মিমি x ৬৬০ মিমি x ১১৩৯ মিমি
হুইলবেজ ১২৫০ মিমি
স্যাডল হাইট ৭৬০ মিমি
ওজন (কার্ব) ৯৮.৫ কেজি
ম্যাক্সিমাম লোড পাওয়া যায়নি
জ্বালানি ধারণ ক্ষমতা ৫ লিটার
সাসপেনশন (সামনে/পিছনে) টেলিস্কোপিক ফ্রন্ট ফর্ক/ ডাবল রেটেড হাইড্রলিক মনো শক
ব্রেকিং (সামনে/পিছনে) সামনে ১১০ মিমি ড্রাম, পিছনে ১৩০ মিমি ড্রাম
টায়ার সাইজ (সামনে /পিছনে) সামনে ৯০/১০০-১০, পিছনে ৯০/৯০-১০; উভয়ই টিউবলেস
ব্যাটারি ১২ ভোল্ট, ৫ অ্যাম্পিয়ার আওয়ার
হেড লাইট ১২ ভোল্ট, ৩৫/৩৫ ওয়াট
স্পিডোমটার ব্যাক ইলুমিনেটেড অ্যানালগ
মাইলেজ ৬২ কিমি/লিটার

>>বাংলাদেশে টিভিএস বাইকের সকল শোরুম দেখতে ক্লিক করুন

*এখানে প্রকাশিত সকল স্পেসিফিকেশন ও মূল্য কোম্পানির নীতি অনুযায়ী যেকোনো সময় পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জন হতে পারে। এমন পরিবর্তনের জন্য বাইকবিডি দায়ী নয়।

এই আর্টিকেলটি পূর্বে ইংরেজিতে প্রকাশ করা হয়েছিলো।

About মাহামুদ সেতু

হ্যালো রাইডারস, আমি মাহামুদ সেতু। থাকি রাজশাহীতে, পড়াশোনাও রাবি’তে। যদিও আমার নিজস্ব কোনো বাইক নেই, তারপরও আমি কিন্তু বাইকের ব্যাপারে পাগল। এক্ষেত্রে আমাকে ‘চন্দ্রাহত’ও বলতে পারেন, মানে ওই দূর থেকে চাঁদের (আমার ক্ষেত্রে বাইক) প্রেমে পাগল হয় যারা, তারা আর কি। যাই হোক, মূল কথায় আসি। গত দুই বছর ধরেই আমি বাইকবিডি.কমের নিয়মিত পাঠক। এখান থেকেই আমি বাইক সম্পর্কে আমার জ্ঞানতৃষ্ণা নিবারণ করেছি। ব্লগের সবগুলো লেখাই একাধিকবার পড়েছি। এখানেই জানতে পারলাম বাইক মোডিফিকেশন সম্পর্কে। শেষমেশ এখন তো সিদ্ধান্তই নিয়ে ফেলেছি, বাইক নিয়েই কাজ করবো। মানে, বাইক মোডিফিকেশনটাকেই পেশা হিসেবে নিতে চাচ্ছি। জানি কাজটা কঠিন, তারপরও আমি আশাবদী। আমার জন্য দোয়া করবেন। অবশ্য বাইক মোডিফিকেশন নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী হওয়ার পিছনে আরেকটি কারণ রয়েছে। দেশে এতো এতো সুন্দর, দ্রুতগতির ও ভালো বাইক (বাংলাদেশে আইনত যার সর্বোচ্চ সীমা ১৫০সিসি) আছে, অথচ আমার পছন্দ হোন্ডা সিজি ১২৫। আমার খুবই ইচ্ছা এই ক্ল্যাসিক বাইকটি কিনে নিজের হাতে মোডিফিকেশন করার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: সকল লেখা সুরক্ষিত !!