সিঙ্গেল ডিস্ক ব্রেক ভালো নাকি ডাবল ডিস্ক ব্রেক ?

বর্তমানে আমাদের দেশের সাধারন সিসি লিমিট ১৫৫ সিসি। ফলে, স্বভাবতই আমাদের সকলের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে ১৫০ সিসির বাইক। ১৫০ সিসির প্রায় সকল বাইকেই সামনে ডিস্ক ব্রেক রয়েছে ও বেশ কিছু বাইকের পেছনেও ডিস্ক ব্রেক রয়েছে বা ডাবল ডিস্ক ব্রেক রয়েছে । বাইকের সামনে ডিস্ক ব্রেক কেন প্রয়োজন তা আমরা সকলেই জানি। কিন্তু, বাইকের পেছনে ডিস্ক ব্রেক থাকার প্রয়োজন কি ??? সাধারনত, আমাদের দেশে আসা বেশিরভাগ বাইকের পেছনে ড্রাম ব্রেক থাকে। তবে, ১৫০ সিসির বেশকিছু বাইকের পেছনে ডিস্ক ব্রেক রয়েছে। ডিস্ক ব্রেক এবং ড্রাম ব্রেকের মধ্যে প্রচুর পার্থক্য রয়েছে। ড্রাম ব্রেকের মূল অসুবিধা হলো - (১)গরমে এর কার্যক্ষমতা কমে যায়। (২)বৃষ্টিতে…

Review Overview

User Rating: 2.97 ( 6 votes)

বর্তমানে আমাদের দেশের সাধারন সিসি লিমিট ১৫৫ সিসি। ফলে, স্বভাবতই আমাদের সকলের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে ১৫০ সিসির বাইক। ১৫০ সিসির প্রায় সকল বাইকেই সামনে ডিস্ক ব্রেক রয়েছে ও বেশ কিছু বাইকের পেছনেও ডিস্ক ব্রেক রয়েছে বা ডাবল ডিস্ক ব্রেক রয়েছে । বাইকের সামনে ডিস্ক ব্রেক কেন প্রয়োজন তা আমরা সকলেই জানি। কিন্তু, বাইকের পেছনে ডিস্ক ব্রেক থাকার প্রয়োজন কি ???

ডাবল ডিস্ক ব্রেক

সাধারনত, আমাদের দেশে আসা বেশিরভাগ বাইকের পেছনে ড্রাম ব্রেক থাকে। তবে, ১৫০ সিসির বেশকিছু বাইকের পেছনে ডিস্ক ব্রেক রয়েছে। ডিস্ক ব্রেক এবং ড্রাম ব্রেকের মধ্যে প্রচুর পার্থক্য রয়েছে।

ড্রাম ব্রেকের মূল অসুবিধা হলো –

(১)গরমে এর কার্যক্ষমতা কমে যায়।

(২)বৃষ্টিতে এর কার্যক্ষমতা কমে।

(৩)ড্রাম ব্রেক এর কারনে পেছনের চাকা স্কিড করার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

(৪) বেশ কিছু সময় প্রায় একটানা ব্রেক করলে এর ব্রেক প্যাড , ব্রেক শু উত্তপ্ত হয়ে ব্রেকিং ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

(৫)ড্রাম ব্রেকের ব্রেক প্যাড বা শু যদি ক্ষয় হয় এবং পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়, তবে বেশিরভাগ মানুষেরই মেকানিকের শরনাপন্ন হতে হবে।

(৬) এর ভেতরে বাতাস চলাচলের তেমন কোন উপায় নেই বলে এটি দ্রুত ঠান্ডা হতে পারে না ফলে, as always, ব্রেকিং কার্যকারীতা কমে যায়।

এবার প্রশ্ন হলো, ডিস্ক ব্রেকে কি হয় ???

(১) ডিস্ক ব্রেক চাকার বাইরে অবস্থান করে ফলে সর্বদা এতে প্রচুর পরিমানে বাতাস প্রবাহিত হয়। এই বাতাস একে ঠান্ডা রাখে। ফলে এটি গরম হওয়ার সুযোগ পায় না, তাই গরমের কারনে ব্রেকিং খারাপ হওয়ার কোন সুযোগই নেই।

(২) পানি/বৃষ্টিতে ভিজে এর কার্যক্ষমতার তেমন কোন পরিবর্তন হয় না, হলেও খুবই কম।

(৩) রিয়ার ডিস্ক ব্রেকের কারনে পেছনের চাকা তুলনামূলকভাবে অনেক কম স্কিড করে।

(৪) ডিস্ক ব্রেকের ডিস্ক ক্ষয় হতে অনেক সময় লাগে, ফলে ঘন ঘন পরিবর্তনের ঝামেলা নেই।

(৫) রিয়ার ডিস্ক ব্রেকের গঠন খুবই সহজ। এর যেকোন পার্টস পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে আপনি নিজেই তা করতে পারবেন। বা, আপনি যদি মেকানিক দিয়ে করাতে চান, তাহলেও আপনার খরচ পড়বে খুবই কম।

#অসুবিধা – টিউনিং এ গুরুতর সমস্যা হলে রিয়ার ডিস্ক ব্রেকের ব্রেক প্যাড অনেক সময় ডিস্ককে আঁকড়ে ধরেনা। অথবা, ব্রেক করলে পেছনের চাকা সম্পূর্ণ আটকে গিয়ে স্কিড করে। এর ফলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

পরিশেষে, আপনি যদি কোন বাইকের ডুয়াল ডিস্ক এবং সিংগল ডিস্ক ভার্শনের মধ্যে একটি বেছে নিতে চান, তবে আমি আপনাকে ডাবল ডিস্ক ভার্শন নিতে পরামর্শ দেব।

Always remember – Every Tech which is new, aren’t bad.

বি.দ্র – আমাদের দেশে আসা নির্দিষ্ট দুই একটি কোম্পানি তাদের বাইককে এমন এক অজানা অলৌকিক উপায়ে প্রস্তুত করেছে যে, সকল সূত্র ও থিওরীকে ভুল প্রমান করে তাদের বাইকে সিংগেল ডিস্ক এর ব্রেকিং পারফর্মেন্স, ডাবল ডিস্ক এর থেকে অনেকখানি বেটার।

আমাদের দেশে অ্যাভিলেবল ডাবল ডিস্ক বাইকসমূহ :

#নেকেড_বাইক – #RTR150, #Hunk , #CBZ_Extreme, #Hero_Extreme, #Lifan_KP_150,

#Honda CB Trigger, #SYM_Wolf_T1, #Walton_Xplore140, #Yume_Japan_Wing,#Frantic_X6, ইত্যাদি।

#রেসিং_বাইক – বাংলাদেশে আসা সকল ইন্ডিয়ান, চাইনিজ, জাপানিজ, তাইওয়ানিজ, ইত্যাদি দেশের সকল রেসিং বাইকেই ট্রিপল/ ডাবল ডিস্ক ব্রেক রয়েছে।

আশা করি এবার আপনি বাইক কেনার সময় সহজেই বাইকের ভার্শন পছন্দ করতে পারবেন।

সর্বদা হেলমেট পরিধান করুন।

লিভ ফ্রি, রাইড সেফ।

©স্বজন।

বর্তমানে আমাদের দেশের সাধারন সিসি লিমিট ১৫৫ সিসি। ফলে, স্বভাবতই আমাদের সকলের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে ১৫০ সিসির বাইক। ১৫০ সিসির প্রায় সকল বাইকেই সামনে ডিস্ক ব্রেক রয়েছে ও বেশ কিছু বাইকের পেছনেও ডিস্ক ব্রেক রয়েছে বা ডাবল ডিস্ক ব্রেক রয়েছে । বাইকের সামনে ডিস্ক ব্রেক কেন প্রয়োজন তা আমরা সকলেই জানি। কিন্তু, বাইকের পেছনে ডিস্ক ব্রেক থাকার প্রয়োজন কি ??? সাধারনত, আমাদের দেশে আসা বেশিরভাগ বাইকের পেছনে ড্রাম ব্রেক থাকে। তবে, ১৫০ সিসির বেশকিছু বাইকের পেছনে ডিস্ক ব্রেক রয়েছে। ডিস্ক ব্রেক এবং ড্রাম ব্রেকের মধ্যে প্রচুর পার্থক্য রয়েছে। ড্রাম ব্রেকের মূল অসুবিধা হলো - (১)গরমে এর কার্যক্ষমতা কমে যায়। (২)বৃষ্টিতে…

Review Overview

User Rating: 2.97 ( 6 votes)

About শুভ্র সেন

সবাইকে শুভেচ্ছা । আমি শুভ্র,একজন বাইকপ্রেমী । ছোটবেলা থেকেই মোটরসাইকেলের প্রতি আমার তীব্র আগ্রহ রয়েছে । যখন আমি আমার বাড়ির আশেপাশে কোন মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনের শব্দ শুনতে পেতাম, আমি তৎক্ষণাৎ মোটরসাইকেলটি দেখার জন্য ছুটে যেতাম ।২ বছর ধরে গবেষণা ও পরিকল্পনার পর আমি এই ব্লগটি তৈরী করি । আমার লক্ষ্য হল বাইক ও বাইক চালানো সম্পর্কে বাংলাদেশের মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেয়া । সবসময় নিরাপদে বাইক চালান । আপনার বাইক চালানো শুভ হোক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: সকল লেখা সুরক্ষিত !!