রানার মোটরবাইকের নতুন অফার

বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ-এর ফিচার রিভিউ

বাংলাদেশের কমিউটার মোটরসাইকেলের জগতে বাজাজ ডিসকাভার একটি প্রসিদ্ধ নাম। সেই ডিসকাভার সিরিজের নতুন সংযোজন বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ। আমাদের অনেক পাঠকই বিভিন্ন সময়ে এই বাইকটি সম্পর্কে নানা তথ্য জানতে চেয়েছেন। তাদের সকল প্রশ্নের জবাব দিতেই আজকের আয়োজন বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ-এর ফিচার রিভিউ। বাজাজ ডিসকাভার সিরিজটি বাজাজ অটো’র সবচেয়ে স্টাইলিশ কমিউটার বাইক। সেই সিরিজের সর্বশেষ সংযোজন বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ ২০১৫’র ১৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বাজারে উন্মুক্ত করা হয়। এখন পর্যন্ত এটাই বাজাজের সবচেয়ে শক্তিশালী কমিউটার শ্রেণির বাইক। তাছাড়া এটাতে লম্বা ভ্রমণের উপযোগী কিছু ফিচারও যোগ করা হয়েছে, কারণ শক্তিশালী কমিউটার বাইক ব্যবহারকারীরা লম্বা ভ্রমণেও বের হন বা হরহামেশাই ঘুরে বেড়ান। সেজন্য নতুন ডিসকাভারে নতুন…

Review Overview

User Rating: 4.9 ( 1 votes)

বাংলাদেশের কমিউটার মোটরসাইকেলের জগতে বাজাজ ডিসকাভার একটি প্রসিদ্ধ নাম। সেই ডিসকাভার সিরিজের নতুন সংযোজন বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ। আমাদের অনেক পাঠকই বিভিন্ন সময়ে এই বাইকটি সম্পর্কে নানা তথ্য জানতে চেয়েছেন। তাদের সকল প্রশ্নের জবাব দিতেই আজকের আয়োজন বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ-এর ফিচার রিভিউবাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ ফিচার রিভিউ

বাজাজ ডিসকাভার সিরিজটি বাজাজ অটো’র সবচেয়ে স্টাইলিশ কমিউটার বাইক। সেই সিরিজের সর্বশেষ সংযোজন বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ ২০১৫’র ১৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বাজারে উন্মুক্ত করা হয়। এখন পর্যন্ত এটাই বাজাজের সবচেয়ে শক্তিশালী কমিউটার শ্রেণির বাইক।

তাছাড়া এটাতে লম্বা ভ্রমণের উপযোগী কিছু ফিচারও যোগ করা হয়েছে, কারণ শক্তিশালী কমিউটার বাইক ব্যবহারকারীরা লম্বা ভ্রমণেও বের হন বা হরহামেশাই ঘুরে বেড়ান। সেজন্য নতুন ডিসকাভারে নতুন কিছু ফিচার পাওয়া যাবে। কিন্তু সেসব ফিচার নিয়ে আলোচনা শুরুর আগে বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ-এর স্পেসিফিকেশনটা দেখে নেওয়া দরকার।বাংলাদেশে বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ এর দাম

বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ-এর স্পেসিফিকেশন

স্পেসিফিকেশন বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ
ইঞ্জিন সিঙ্গেল সিলিন্ডার, ৪-ভাল্ব, ৪-স্ট্রোক এয়ার কুলড, ডিটিএস-আই ইঞ্জিন
ডিপ্লেসমেন্ট ১৪৪.৮ সিসি
বোর x স্ট্রোক ৫৬ মিমি x ৫৮.৮ মিমি
কম্প্রেশন রেশিও পাওয়া যায়নি
ভাল্ব ৪ ভাল্ব
সর্বোচ্চ ক্ষমতা ১৪.৫ পিএস @ ৮,৫০০ আরপিএম
সর্বোচ্চ টর্ক ১২.৭৫ নিউটন মিটার (১.৩ কেজি-মিটার) @ ৬৫০০ আরপিএম
জ্বালানি সরবরাহ কার্বুরেটর; BS26
ইগনিশন পাওয়া যায়নি
স্টার্টিং কিক/সেল্ফ
এয়ার ফিল্টার শুকনো, পেপার ফিল্টার
ট্রান্সমিশন ৫ স্পিড, কনস্ট্যান্ট মেশ (সব উপরে)
ক্লাচ মাল্টিপল ওয়েট
ফ্রেম সেমি-ডাবল ক্রেডল
আয়তন (দৈর্ঘ্য x প্রস্থ x উচ্চতা) ২০৩৮ মিমি x ৭১৪ মিমি x ১০৭০ মিমি
হুইলবেজ ১৩০৫ মিমি
ভূমি থেকে উচ্চতা ১৬৫ মিমি
স্যাডল হাইট ৭৯৫ মিমি
কার্ব ওয়েট (ড্রাম / ডিস্ক) ১৩০ / ১২৯ কেজি
জ্বালানি ধারণ ক্ষমতা ১০ লিটার (১.৯ লিটার রিজার্ভ ব্যবহারযোগ্য)
সাসপেনশন (সামনে/পিছনে) টেলিস্কোপিক, ১৩০ মিমি ফর্ক ট্রাভেল

/মনোশক, নাইট্রক্স (গ্যাস পূর্ণ), ১১০ মিমি ট্রাভেল

ব্রেক (সামনে/পিছনে) সামনে ২৪০ মিমি পেটাল ডিস্ক;

পিছনে ১৩০ মিমি ড্রাম

টায়ার (সামনে/পিছনে) সামনে ৮০/১০০-১৭; পিছনে ১০০/৯০-১৭; উভয়ই টিউবলেস ও ইউনিডিরেকশনাল
ব্যাটারি ১২ ভোল্ট
স্পিডোমিটার অ্যানালগ অডো ও ডিজিটাল ডিসপ্লে

*কোম্পানির নিয়ম, নীতিমালা, অফার ও প্রোমোশনের ভিত্তিতে যেকোনো সময় উপরোক্ত স্পেসিফিকেশন পরিবর্তন হতে পারে। এজন্য বাইকবিডি দায়ী থাকবে না।

বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ এর ফ্রন্ট ফেয়ারিংবাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ-এর শরীরতত্ত্ব

প্রথম দেখাতেই বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ’কে অনেকটা সেমি ফেয়ারড ট্যুরিং বাইক মনে হয়। কিন্তু এর দীর্ঘ আসনব্যবস্থা, বর্ধিত হুইল ফিন ও স্বাভাবিক গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স এটাকে কমিউটার হিসেবেই পরিচয় করিয়ে দেয়। অবশ্য এটার ডিজাইন দেখে কমিউটিং ও ট্রাভেলিংয়ের সংমিশ্র বাইক বলাই ঠিক হবে।

নতুন ডিসকাভার ১৫০এফ-এ আগের চেয়ে উন্নত অ্যারোডাইনামিক ফেয়ারিং ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফিক্সড হেডল্যাম্পসহ সেমি ফেয়ারিং কিট বাইকটিকে আরো বেশি অ্যারোডাইনামিক সুবিধা পাইয়ে দিচ্ছে। যার মানে হলো, বাইকটি হাইওয়েতে চলার জন্য আরো বেশি উপযোগী হয়ে উঠেছে।বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ এর স্পেসিফিকেশন

তাছাড়া বাইকটির বডি প্যানেলেও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। যার কারণে এটাকে আগের ডিসকাভারগুলোর চেয়ে দেখতেও বেশ অন্যরকম মনে হয়। সর্বোপরি ডিসকাভার ১৫০এফ-এর বিল্ড কোয়ালিটি, এক্সটেরিয়র ফিনিশিং ও পেইন্ট বেশ ভালো করা হয়েছে। যা দেখে ক্রেতাদের আগ্রহও বাড়বে নতুন এই বাইকটির প্রতি।

বডি প্যানেল ও গ্রাফিক্সের পাশাপাশি এর হেডল্যাম্প, টেইল ল্যাম্প ও অডো প্যানেলেও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। সেই সঙ্গে সুইং আর্ম ও চেইন কাভারও আগের চেয়ে উন্নত ডিসকাভার ১৫০এফ-এর। সবদিক বিবেচনায়, আপনি যদি ডিসকাভার প্রেমী হয়ে থাকেন এবং শক্তিশালী কমিউটার বাইক কিনতে চান, তাহলে ডিসকাভার ১৫০এফ আপনাকে নিশ্চিত আকৃষ্ট করবে।বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ এর মিটার

বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ-এর হুইল, ব্রেক, সাসপেনশন ও নিয়ন্ত্রণ

বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ দেখে একটা জিনিস বুঝত পেরেছি, এর কন্ট্রোলিংয়ে বেশেউন্নতি করা হয়েছে। ঊর্ধ্বমুখী আসন বিন্যাস ও পাইপ হ্যান্ডেলবার রয়েছে এতে। আরামদায়ক স্যাডল হাইট, ফুট পেগ ও গিয়ার লিভার পজিশন যথাযথই হয়েছে। অবশ্য সুইচ প্যানেল আগের মতোই থেকে গেছে ডিসকাভার ১৫০এফ এরও।

নতুন বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ এ অ্যালয় রিম ও টিউবলেস টায়ার ব্যবহার করা হয়েছে। ১০ অ্যালয় স্পোক বিশিষ্ট রিমটি যথেষ্ট ধাক্কা সহনশীল করেই ডিজাইন করা হয়েছে। আর এর উভয় চাকার মাডগার্ডও বেশ বড়োসড়ো রাখা হয়েছে, বাইককে কাদা-ময়লা থেকে বাঁচানোর জন্য।বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ ডিস্ক ব্রেক

বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ-এর সামনের চাকায় ডিস্ক ব্রেক ও পিছনে ১৩০ মিমি ড্রাম ব্রেক রয়েছে। ডিস্কটি আবার প্লাস্টিক কাভার দিয়ে ঢাকা রয়েছে, যদিও এটা কী কাজে দিবে তা বোঝা যায়নি!

ডিসকাভার ১৫০এফ-এর সামনে টেলিস্কোপিক হাইড্রলিক সাসপেনশন ও পিছনে মনোশক। পিছনের মনোশকটি আবার নাইট্রক্স গ্যাস চার্জড।বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ এর মনোশক সাসপেনশন

বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ-এর ইঞ্জিন

বাজাজের সবচেয়ে শক্তিশালী কমিউটার ডিসকাভার ১৫০এফ। এমনিতে ডিসকাভার সিরিজ ডিজাইন, দর্শনদারী ও স্বল্প মেইনটেন্যান্স খরচের জন্য জনপ্রিয়। তাছাড়া জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্যও এটা প্রশংসিত। আর নতুন ডিসকাভারটিতে সেসব গুণের পাশপাশি অধিক ক্ষমতা ও ট্যুরিং ফিচার যোগ হয়েছে।

১৫০ সিসি শ্রেণির বাইকটিতে ১৪৪.৮ সিসির শক্তিশালী ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে। আর এটার স্ট্রোকের চেয়ে বোর কিছুটা খাটো হওয়ায় জ্বালানি সাশ্রয়ের নিশ্চয়তাও রয়েছে।

ডিসকাভার ১৫০এফ-এর শক্তি ও টর্ক উল্লেক করার মতোই। এর সর্বোচ্চ শক্তি ১৪.৫ পিএস ও টর্ক ১২.৭৫ নিউটন মিটার, যা জ্বালানি সাশ্রয়ী কোনো কমিউটারের জন্য যথেষ্টর চেয়েও বেশি।বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ ৪-ভাল্ব ইঞ্জিন

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এর ইঞ্জিনটি ৪-ভাল্ব বিশিষ্ট, যা যথাযথ কমবাশন ও দ্রুত এক্সজস্ট নিশ্চিত করে। এর ফলে ত্বরিৎ থ্রটল ও অ্যাক্সিলারেশন পাওয়া যায়।

কিন্তু এর ফলে আমাদের সন্দেহ তৈরি হয়েছে এর জ্বালানি সাশ্রয়ী হওয়া নিয়ে। সাধারণত জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য ডিসকাভার সিরিজ অধিক জনপ্রিয়। হতে পারে, লম্বা স্ট্রোক, কম ওজন ও অ্যারোডাইনামিক ডিজাইন মিলে জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে!

সে যাই হোক না কেনো, এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পেতে হলে বাইকটি টেস্ট রাইড করে দেখতে হবে। আর আমরা আশাবাদী, আগামীতে বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ টেস্ট রাইড সম্পন্ন করে আপনাদেরকে এই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিবো। কিন্তু নেই টেস্ট রাইডের আগেই এটার সম্পর্কে কিছু পর্যবেক্ষণ জানিয়ে দেওয়া দরকার।বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ টেইল ল্যাম্প

বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ নিয়ে কিছু পর্যবেক্ষণ

বাজাজ তাদের এই নতুন বাইকটিতে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে। ডিসকাভার ১৫০এফ দেখতেও সুন্দর, সেই সঙ্গে এর সক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। বাজাজ আসলে এই বাইক দিয়ে কমিউটার ব্যবহারকারীদের অধিক শক্তিশালী ইঞ্জিন ও ট্যুরিংয়ের মজা দিতে চেয়েছে।

তবে আমাদের পর্যবেক্ষণ বলছে, এটাতে আরো বেশ কিছু দিকে উন্নতি করলে আরো ভালো হতো। তারা নতুন যে চেইন কাভার দিয়েছে সেটা আগের চেয়ে শক্তিশালী, এটা ভালো হয়েছে।বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ এর সাড়ি গার্ড

নতুন বাইকের ফ্রেমটি ডাবল ক্রেডল, যার ফলে এটি ইঞ্জিন ও অন্যান্য যন্ত্রাংশকে বড়ো রকমের বাধাবিপত্তি থেকে রক্ষা করবে। কিন্তু এক্ষেত্রে একটা ত্রুটি ধরা পড়েছে আমাদের চোখে—এক্সজস্ট পাইপ ফ্রেমের নিচ দিয়ে নেওয়া হয়েছে।

 বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ-এর বর্তমান দাম 

পাইপটি ক্রেডল ফ্রেমের ভিতর দিয়ে নিয়ে গেলে গ্র্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স বেশ বাড়তো। পাশাপাশি খারাপ রাস্তা বা পাহাড়ি পথ কিংবা উঁচু স্পিডব্রেকারে ঘষা খেতো না।

তাছাড়া বাজাজ পিছনের চাকার ড্রামটি ইনভার্ট পজিশনে দিলে অফরোডের জন্য বাইকটি আরো ভালো হতো। কারণ ডিসকাভার সিরিজটি মূলত গ্রামাঞ্চলেই বেশি জনপ্রিয়। তাই সেসব ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখে এই দুর্বলতা দূর করা উচিৎ।বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ এর বিক্রি শুরু

মূলত এই ছিলো বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ নিয়ে আমাদের পর্যবেক্ষণ। আগেই বলেছি, বাইকটি জ্বালানি সাশ্রয়, শক্তি ও ট্যুরিংয়ের সংমিশ্রণ, যেটা ডিসকাভার সিরিজে এই প্রথম।

বাজাজ মোটরসাইকেলের ডিলার পয়েন্ট/শোরুম

এই ফিচার রিভিউটিতে আমরা মূলত চোখে দেখে যতোটুকু বুঝতে পেরেছি তাই আপনাদের জানাতে চেষ্টা করেছি। কিন্তু শুধু চোখে দেখে কোনো নতুন বাইক সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য জানানো সম্ভব না। সেজন্য আগে আমাদেরকে এটা টেস্ট রাইড করতে হবে। তাই আমাদের সঙ্গেই থাকুন আর আপনার যা জিজ্ঞাসা আছে তা আমাদের জানান। বাজাজ ডিসকাভার ১৫০এফ-এর ফিচার রিভিউ নিয়েও কোনো প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন। ধন্যবাদ।

About শুভ্র সেন

সবাইকে শুভেচ্ছা । আমি শুভ্র,একজন বাইকপ্রেমী । ছোটবেলা থেকেই মোটরসাইকেলের প্রতি আমার তীব্র আগ্রহ রয়েছে । যখন আমি আমার বাড়ির আশেপাশে কোন মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনের শব্দ শুনতে পেতাম, আমি তৎক্ষণাৎ মোটরসাইকেলটি দেখার জন্য ছুটে যেতাম ।২ বছর ধরে গবেষণা ও পরিকল্পনার পর আমি এই ব্লগটি তৈরী করি । আমার লক্ষ্য হল বাইক ও বাইক চালানো সম্পর্কে বাংলাদেশের মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেয়া । সবসময় নিরাপদে বাইক চালান । আপনার বাইক চালানো শুভ হোক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*