বাংলাদেশের বাজারে চলে এসেছে মাহিন্দ্রা সেন্টুরো রকস্টার

বাংলাদেশে মাহিন্দ্রা মোটরসাইকেলের একমাত্র পরিবেশক আফতাব অটোমোবাইলস লিমিটেড সম্প্রতি মাহিন্দ্রা সেন্টুরো রকস্টার দেশের বাজারে ছেড়েছে। মাহিন্দ্রা সেন্টুরো সিরিজের নতুন একটি কমিউটার বাইক এটি। এটা নিয়েই আমাদের আজকের আয়োজন। চলুন শুরু করা যাক। মাহিন্দ্রা টু হুইলার্স অল্প কিছুদিন হলো বাংলাদেশে তাদের পথচলা শুরু করেছে। অথচ এই অল্প সময়ের মধ্যেই তারা প্রান্তিক মানুষের কাছে ভালো গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে তাদের কমিউটার শ্রেণির বাইকগুলো নিয়ে। বর্তমানে তাদের বহরে ১০০ থেকে ১২৫ সিসি সেগমেন্টে মোটরসাইকেল ও স্কুটার রয়েছে। আর সেন্টুরো সিরিজটি তাদের অন্যতম জনপ্রিয় একটি সাব-ব্র্যান্ড। এই সিরিজে তিনটি মডেল রয়েছে, যার সঙ্গে সম্প্রতি আরো একটি যোগ করলো মাহিন্দ্রা। সেটাই আজকের মাহিন্দ্রা সেন্টুরো রকস্টার। সেন্টুরো সিরিজের…

Review Overview

User Rating: Be the first one !

বাংলাদেশে মাহিন্দ্রা মোটরসাইকেলের একমাত্র পরিবেশক আফতাব অটোমোবাইলস লিমিটেড সম্প্রতি মাহিন্দ্রা সেন্টুরো রকস্টার দেশের বাজারে ছেড়েছে। মাহিন্দ্রা সেন্টুরো সিরিজের নতুন একটি কমিউটার বাইক এটি। এটা নিয়েই আমাদের আজকের আয়োজন। চলুন শুরু করা যাক।

বাংলাদেশে চলে এসেছে মাহিন্দ্রা সেন্টুরো রকস্টারমাহিন্দ্রা টু হুইলার্স অল্প কিছুদিন হলো বাংলাদেশে তাদের পথচলা শুরু করেছে। অথচ এই অল্প সময়ের মধ্যেই তারা প্রান্তিক মানুষের কাছে ভালো গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে তাদের কমিউটার শ্রেণির বাইকগুলো নিয়ে।

বর্তমানে তাদের বহরে ১০০ থেকে ১২৫ সিসি সেগমেন্টে মোটরসাইকেল ও স্কুটার রয়েছে। আর সেন্টুরো সিরিজটি তাদের অন্যতম জনপ্রিয় একটি সাব-ব্র্যান্ড। এই সিরিজে তিনটি মডেল রয়েছে, যার সঙ্গে সম্প্রতি আরো একটি যোগ করলো মাহিন্দ্রা। সেটাই আজকের মাহিন্দ্রা সেন্টুরো রকস্টার

মাহিন্দ্রা সেন্টুরো রকস্টার এর ফিচার ও স্পেসিফিকেশন

সেন্টুরো সিরিজের অন্য বাইকগুলোর মতো রকস্টারেও ১০৬.৭ সিসি’র ইঞ্জিন রয়েছে। যার ফলে সর্বোচ্চ ক্ষমতা ও টর্কও আগের মতোই রয়েছে, কিছুই কমেনি বা বাড়েনি।

মূলত এটি দেখতে অন্যরকম এবং এর দামও কিছুটা কম। রকস্টারের অফিসিয়াল স্পেসিফিকেশনটা নিচে দিয়ে দিলাম।

মাহিন্দ্রা সেন্টুরো রকস্টার এর অফিসিয়াল স্পেসিফিকেশন 

ইঞ্জিন সিঙ্গেল সিলিন্ডার, ৪-স্ট্রোক, এয়ার কুলড, এমসিআই-৫ ইঞ্জিন
ডিসপ্লেসমেন্ট ১০৬.৭ সিসি
বোর x স্ট্রোক ৫২.৪ মিমি x ৪৯.৫ মিমি
কম্প্রেশন রেশিও ৯.৫:১
সর্বোচ্চ ক্ষমতা ৮.৫ পিএস @ ৭৫০০ আরপিএম
সর্বোচ্চ টর্ক ৮.৫ নিউটন মিটার @ ৫৫০০ আরপিএম
স্টার্টিং কিক ও ইলেকট্রিক
ট্রান্সমিশন কনস্ট্যান্ট মেশ ৪ স্পিড গিয়ার
ফ্রেম ডাবল ক্রেডল স্টিল টিউবুলার স্ট্রাকচার
আয়তন

(দৈর্ঘ্য x প্রস্থ x উচ্চতা)

২০৩১ মিমি x ৭৩৫ মিমি x ১১১১ মিমি
হুইলবেজ ১২৬৫ মিমি
স্যাডল হাইট ৮০০ মিমি
ভূমি থেকে উচ্চতা ১৭৩ মিমি
ওজন (কার্ব) ১২৬ কেজি
জ্বালানি ধারণক্ষমতা ১২.৭ লিটার
সাসপেনশন (সামনে/পিছনে) টেলিস্কোপিক, কয়েল স্প্রিং ফর্ক/ ডাবল, ৫-স্টেপ কয়েল অ্যাডজাস্টেবল
ব্রেক (সামনে/পিছনে) উভয়টিতে ১৩০ মিমি ড্রাম
টায়ার সাইজ (সামনে /পিছনে) সামনে ৬.৯৮ x ৪৫.৭২ সেমি; পিছনে ৭.৬২ x ৪৫.৭২ সেমি
ব্যাটারি ১২ ভোল্ট/ ৪ অ্যাম্পিয়ার আওয়ার
হেডলাইট ১২ ভোল্ট – ৩৫ ওয়াট/৩৫ ওয়াট – হ্যালোজেন
টেইল লাইট এলইডি
দাম ১,২৫,০০০ টাকা

*উল্লিখিত মূল্য ও স্পেসিফিকেশন কোম্পানির নিয়মনীতি, পলিসি, অফার ও প্রোমোশন অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে। এজন্য বাইকবিডি দায়ী থাকবে না।

সেন্টুরো সিরিজের আগের বাইকগুলোর তুলনায় নতুন সেন্টুরো রকস্টার কম দামে বাজারে ছেড়েছে মাহিন্দ্রা। আর এই দাম কমানোর জন্য তারা এতে কিছু ফিচারে পরিবর্তনও এনেছে।

আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন যে, এর সামনের চাকায় এবার ডিস্ক ব্রেক দেওয়া হয়নি। এর পাশাপাশি মাহিন্দ্রা ইঞ্জিন ইমমোবিলাইজার ও অন্যান্য কয়েকটি অভ্যন্তরীণ ফিচারে পরিবর্তন এনেছে।

বাংলাদেশে মাহিন্দ্রা সেন্টুরো রকস্টার এর দামযাই হোক, মাহিন্দ্রা টু হুইলার্স বাংলাদেশ এই বাইকটির ক্ষেত্রেও কিস্তি সুবিধা দিচ্ছে। যার ফলে ছাত্র, চাকুরিজীবী ও ছোটো ব্যবসায়ীরা সহজেই বাইকটি কিনতে পারবেন।

>> বাংলাদেশে মাহিন্দ্রা সেন্টুরো রকস্টার এর দাম দেখতে ক্লিক করুন

এর পাশাপাশি প্রতিটি বাইকের সঙ্গেই মাহিন্দ্রা নানা উপহার দিচ্ছে ক্রেতাদের। এসব উপহারের মধ্যে রয়েছে রেইনকোট, হেলমেট কিংবা টাকা ফেরতের মতো অফার। অবশ্য এই উপহার পরিবর্তন হতে পারে।

>> বাংলাদেশে মাহিন্দ্রার সকল শোরুম দেখতে ক্লিক করুন

তাহলে পাঠক, মাহিন্দ্রা সেন্টুরো রকস্টার নিয়ে আজ এ পর্যন্তই থাক। তবে হ্যা, সেন্টুরো রকস্টার নিয়ে আরো বিস্তারিত জানতে আপনারা ঢাকার তেজগাঁওয়ে মাহিন্দ্রার শোরুমে যেতে পারেন। ধন্যবাদ।

আর্টিকেলটি পূর্বে ইংরেজিতে প্রকাশ করা হয়েছিলো।

About মাহামুদ সেতু

হ্যালো রাইডারস, আমি মাহামুদ সেতু। থাকি রাজশাহীতে, পড়াশোনাও রাবি’তে। যদিও আমার নিজস্ব কোনো বাইক নেই, তারপরও আমি কিন্তু বাইকের ব্যাপারে পাগল। এক্ষেত্রে আমাকে ‘চন্দ্রাহত’ও বলতে পারেন, মানে ওই দূর থেকে চাঁদের (আমার ক্ষেত্রে বাইক) প্রেমে পাগল হয় যারা, তারা আর কি। যাই হোক, মূল কথায় আসি। গত দুই বছর ধরেই আমি বাইকবিডি.কমের নিয়মিত পাঠক। এখান থেকেই আমি বাইক সম্পর্কে আমার জ্ঞানতৃষ্ণা নিবারণ করেছি। ব্লগের সবগুলো লেখাই একাধিকবার পড়েছি। এখানেই জানতে পারলাম বাইক মোডিফিকেশন সম্পর্কে। শেষমেশ এখন তো সিদ্ধান্তই নিয়ে ফেলেছি, বাইক নিয়েই কাজ করবো। মানে, বাইক মোডিফিকেশনটাকেই পেশা হিসেবে নিতে চাচ্ছি। জানি কাজটা কঠিন, তারপরও আমি আশাবদী। আমার জন্য দোয়া করবেন। অবশ্য বাইক মোডিফিকেশন নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী হওয়ার পিছনে আরেকটি কারণ রয়েছে। দেশে এতো এতো সুন্দর, দ্রুতগতির ও ভালো বাইক (বাংলাদেশে আইনত যার সর্বোচ্চ সীমা ১৫০সিসি) আছে, অথচ আমার পছন্দ হোন্ডা সিজি ১২৫। আমার খুবই ইচ্ছা এই ক্ল্যাসিক বাইকটি কিনে নিজের হাতে মোডিফিকেশন করার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Sign up to our newsletter!