যেভাবে করবেন নিজের ড্রাইভিং লাইসেন্স

ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির পদ্ধতি-

শিক্ষানবীশ ড্রাইভিং লাইসেন্সঃ

ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির পূর্বশর্ত হল শিক্ষানবীশ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকা।

শিক্ষানবীশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন ফরম লাইসেন্সিং অথরিটি (সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিঃ), বিআরটিএ) এর অফিসে পাওয়া যাবে। এছাড়াও বিআরটিএ’ র ওয়েবসাইট www.brta.gov.bd হতে ডাউনলোড করা যাবে। শিক্ষানবীশ ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্যে চার (০৪) পাতার মূল আবেদন ফরম যথাযথভাবে পূরণ করে নিম্নোক্ত কাগজপত্র সহ সংশ্লিষ্ট লাইসেন্সিং অথরিটির নিকট দাখিল করতে হবে।

বয়সের প্রমাণপত্র (Proof of Age)- স্কুল সার্টিফিকেট/পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন সনদ/জাতীয় পরিচয়পত্র্রের সত্যায়িত অনুলিপি ( আবেদনের তারিখে প্রার্থীর বয়স পেশাদার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ২০ বছর এবং অপেশাদার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে)।
জাতীয়তা প্রমানপত্র (proof of Citizenship)- জাতীয় পরিচয়পত্র/ পাসপোর্ট/ সিটি কর্পোরেশন/ পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদের সার্টিফিকেট এর সত্যায়িত অনুলিপি।
ঠিকানার যাচাইপত্র (proof of Residence)- জাতীয় পরিচয়পত্র/ পাসপোর্ট/ পানি/ গ্যাস/ বিদ্যুৎ/ টেলিফোন বিল এর সত্যায়িত অনুলিপি।
রেজিস্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক আবেদনকারীর ০১ (এক) কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবিসহ নির্ধারিত ফরমে মেডিকেল সার্টিফিকেট– মেডিকেল সার্টিফিকেটের নির্ধারিত ফরম সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিঃ) বিআরটিএ’র অফিস অথবা বিআরটিএ’র ওয়েবসাইট www.brta.gov.bd হতে ডাউনলোড করা যাবে)।
০৩ (তিন) কপি স্ট্যাম্প সাইজের রঙিন ছবি। চ। নির্ধারিত ফিঃ ০১ (এক) ক্যাটাগরি-৩৪৫/- টাকা ও ০২(দুই) ক্যাটাগরি-৫১৮/-টাকা বিআরটিএর নির্ধারিত ব্যাংকে জমাদানের রশিদ।
আবেদনপত্র, ফি জমা রশিদ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাইসেন্সিং অথরিটি বরাবর দাখিলের পর প্রার্থীকে বিআরটিএ’র সংশ্লিষ্ট অফিস হতে তিন মাসের জন্য শিক্ষানবীশ ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করা হয়। এই লাইসেন্সে দক্ষতা যাচাই পরীক্ষার স্থান, তারিখ ও সময় উল্লেখ থাকে।

স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সঃ

প্রার্থীকে শিক্ষানবীশ ড্রাইভিং লাইসেন্সে উল্লেখিত তারিখ ও সময়ে নির্ধারিত পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পর কৃতকার্য হলে মৌখিক পরীক্ষা এবং মৌখিক পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।

কৃতকার্য প্রার্থীকে স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য নির্ধারিত ফরমে (ফরম সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিঃ) এর অফিস বা বিআরটিএ’র ওয়েবসাইট হতে ডাউনলোড করা যাবে) নিম্নোক্ত কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট লাইসেন্সিং অথরিটির নিকট আবেদন করতে হবে।
(ক) শিক্ষানবীশ ড্রাইভিং লাইসেন্স (যেখানে পরীক্ষা পাশের রের্কড রয়েছে)।
(খ) জাতীয় পরিচয়পত্র/ পাসপোর্ট/ জন্ম নিবন্ধন সনদ এর সত্যায়িত অনুলিপি।
(গ) ০৩ তিন কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি।
(ঘ) নির্ধারিত ফিঃ (পেশাদার-১৪৩৮/- টাকা ও অপেশাদার-২৩০০/- টাকা বিআরটিএ’র নির্ধারিত ব্যাংকে জমাদানের রশিদ।
(ঙ) পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে প্রার্থীর স্থায়ী ঠিকানার পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন।

উপরোক্ত কাগজপত্র ও প্রযোজ্য ফি সহ সংশ্লিষ্ট লাইসেন্সিং অথরিটি বরাবর আবেদন দাখিলের পর আবেদনকারীর বায়োমেট্রিক্স (ডিজিটাল ছবি, ডিজিটাল স্বাক্ষর ও আঙ্গুলের ছাপ) গ্রহণ করে প্রাপ্তিস্বীকার রশিদ প্রদান করা হয়। প্রাপ্তিস্বীকার রশিদ/এসএমএস এ নির্ধারিত তারিখে স্মার্ট কার্ড লাইসেন্স বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য যে, ডিজিটাল লাইসেন্স প্রাপ্তির ক্ষেত্রে একই ব্যক্তি কখনোও দুইবার বায়োমেট্রিক্স (ডিজিটাল ছবি, ডিজিটাল স্বাক্ষর ও আঙ্গুলের ছাপ) নেয়া যাবে না।

Gazipur Police Division

About শুভ্র সেন

সবাইকে শুভেচ্ছা । আমি শুভ্র,একজন বাইকপ্রেমী । ছোটবেলা থেকেই মোটরসাইকেলের প্রতি আমার তীব্র আগ্রহ রয়েছে । যখন আমি আমার বাড়ির আশেপাশে কোন মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনের শব্দ শুনতে পেতাম, আমি তৎক্ষণাৎ মোটরসাইকেলটি দেখার জন্য ছুটে যেতাম ।২ বছর ধরে গবেষণা ও পরিকল্পনার পর আমি এই ব্লগটি তৈরী করি । আমার লক্ষ্য হল বাইক ও বাইক চালানো সম্পর্কে বাংলাদেশের মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেয়া । সবসময় নিরাপদে বাইক চালান । আপনার বাইক চালানো শুভ হোক
error: সকল লেখা সুরক্ষিত !!