হোন্ডা সিবিআর১৫০আর স্ট্রিটফায়ার এখন বাংলাদেশে

হাফসা মার্ট আজ ঢাকায় হোন্ডা সিবিআর১৫০আর স্ট্রিটফায়ার উন্মুক্ত করেছে। যদিও গত ফেব্রুয়ারি মাসেই বাইকটি বাজারে ছাড়ার কথা ছিলো বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের, কিন্তু অজ্ঞাত কারণবশত তারা এখনো তা করেনি। সে যাই হোক, ভারত, পাকিস্তান বা শ্রীলঙ্কার আগে আমাদের দেশে বাইকটি আসায় আমরা আনন্দিত। হাফসা মার্ট এর আগে ইয়ামাহা এফজেড১৫০আই নিয়ে এসেছে এদেশে, যার রিভিউ আমরা আমাদের সাইটে প্রকাশ করেছি। এছাড়া তারা ইয়ামাহা সাবর এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে ২০১৫ হোন্ডা সিবিআর১৫০আর (ডুয়েল হেডলাইট)নিয়ে এসেছে। আর গত সপ্তাহে তারা হোন্ডা সিবিআর১৫০আর ২০১৬ এনেছে ইন্দোনেশিয়া থেকে। হোন্ডা সিবিআর১৫০আর স্ট্রিটফায়ার ২০১৫ খ্রিস্টাব্দের আগস্টে ইন্দোনেশিয়ার বাজারে আসে। আর এখন আমাদের এখানে যেটা এসেছে সেটা আশা করছি…

Review Overview

User Rating: 4.05 ( 1 votes)

হাফসা মার্ট আজ ঢাকায় হোন্ডা সিবিআর১৫০আর স্ট্রিটফায়ার উন্মুক্ত করেছে। যদিও গত ফেব্রুয়ারি মাসেই বাইকটি বাজারে ছাড়ার কথা ছিলো বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের, কিন্তু অজ্ঞাত কারণবশত তারা এখনো তা করেনি। সে যাই হোক, ভারত, পাকিস্তান বা শ্রীলঙ্কার আগে আমাদের দেশে বাইকটি আসায় আমরা আনন্দিত।

বাংলাদেশে হোন্ডা সিবিআর১৫০আর স্ট্রিটফায়ারহাফসা মার্ট এর আগে ইয়ামাহা এফজেড১৫০আই নিয়ে এসেছে এদেশে, যার রিভিউ আমরা আমাদের সাইটে প্রকাশ করেছি। এছাড়া তারা ইয়ামাহা সাবর এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে ২০১৫ হোন্ডা সিবিআর১৫০আর (ডুয়েল হেডলাইট)নিয়ে এসেছে। আর গত সপ্তাহে তারা হোন্ডা সিবিআর১৫০আর ২০১৬ এনেছে ইন্দোনেশিয়া থেকে।

বাংলাদেশে হোন্ডা সিবি১৫০হোন্ডা সিবিআর১৫০আর স্ট্রিটফায়ার ২০১৫ খ্রিস্টাব্দের আগস্টে ইন্দোনেশিয়ার বাজারে আসে। আর এখন আমাদের এখানে যেটা এসেছে সেটা আশা করছি আরো রিফাইনড হবে। সিবি স্ট্রিটফায়ারের ইঞ্জিন হোন্ডা সিবিআর১৫০আর এর মতো একই, এতেও ওয়াটার কুলড ডিওএইচসি ইঞ্জিনই ব্যবহার করা হয়েছে। যদিও এর শক্তি কিছুটা কমানো হয়েছে। বর্তমানে ৬ স্পিড গিয়ারবক্সের এই বাইকটি সর্বোচ্চ ক্ষমতা ১৬.৭ বিএইচপি এবং টর্ক ১৩.৮ নিউটন মিটার করা হয়েছে।

হোন্ডা সিবি ১৫০ ইঞ্জিনহোন্ডা সিবিআর১৫০আর স্ট্রিটফায়ারকে আরো বেশি স্পোর্টিং করে তোলার জন্য এতে নতুন ধরনের ট্রাস ফ্রেম ব্যবহার করা হয়েছে। যা এর ইঞ্জিনের ভাইব্রেশন কমাবে এবং ভালো কন্ট্রোল ও আরাম নিশ্চিত করবে। অন্যদিকে এর ডিজাইনটাও বেশ আগ্রাসী। তাছাড়া এর সম্পূর্ণ এলইডি লাইটিং সিস্টেমের কারণে দেখতেও যেমন সুন্দর, তেমনি বিদ্যুৎ খরচও কম।

হোন্ডা সিবিআর১৫০আর ড্যাশ বোর্ডস্ট্রিটফায়ারের স্পিডোমিটারটি ফুল ডিজিটাল। আর অ্যাক্সিলারেশন তো সেই রকম ফাস্ট। এর ট্যাঙ্কে সর্বোচ্চ ১২ লিটার জ্বালানি ধরে। বাইকটির সামনে-পিছনে দুই চাকাতেই ডিস্ক ব্রেক রয়েছে। আর ব্রেকগুলো বিশ্বের অন্যতম ব্রেক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিশিন এর তৈরি করা। স্ট্রিটফায়ারের সামনের চাকায় ডুয়েল পিস্টন ব্রেক এবং পিছনের চাকায় সিঙ্গেল পিস্টন ব্রেক ব্যবহার করা হয়েছে। আর এর টায়ারগুলো টিউবলেস এবং পিছনের চাকায় ১৩০ সাইজের টায়ার লাগানো হয়েছে, যাতে উচ্চগতিতেও ভালো কর্নারিং করা যায়।

নিশিনের তৈরি ডিস্ক ব্রেকহোন্ডা সিবিআর১৫০আর স্ট্রিটফায়ার এর পিছনের সাসপেনশনটি প্রো-লিঙ্ক সিস্টেমের, যেটা জোন্ডা সিবিআর২৫০আর এ ব্যবহার করা হয়। এই সাসপেনশন যেকোনো রাস্তায় আরামদায়ক ভ্রমণের নিশ্চয়তা দেয়। বাইকের নিরাপত্তার জন্য এতে কি শাটার এবং ব্যাঙ্ক অ্যাঙ্গেল সেন্সর ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে বাইক পড়ে গেলে বা ৬০ ডিগ্রির চেয়ে বেশি কর্নারিং করলে ইঞ্জিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।

বাংলাদেশে হোন্ডা সিবিআর১৫০আর এর দামইয়ামাহা এম স্ল্যাজ এবং হোন্ডা সিবিআর১৫০আর এ পিলিয়নের জন্য গ্র্যাব রেইল না থাকলেও স্ট্রিটফায়ারে তা রয়েছে। তাছাড়া এর সিট স্প্লিট না হওয়ায় পিলিয়ন আরাম করে বসতে পারেন। যদিও এই বাইকটির ওজন ১৩৬ কেজি, তার পরও বাইকটি খুব বেশি উঁচু না হওয়ায় কেকোনো মানুষ এটা সহজেই চালাতে পারবে।

হোন্ডা সিবিআর১৫০আর স্ট্রিটফায়ারের সিটিং পজিশন

বাংলাদেশে হোন্ডা সিবিআর১৫০আর স্ট্রিফায়ারের দাম দেখতে ক্লিক করুন

শোরুম

হাফসা মার্ট

হটলাইন: ০১৭৮৩-৮৬০৫১১

 হোন্ডা সিবিআর১৫০আর হেডলাইট

হোন্ডা সিবিআর১৫০আর স্ট্রিটফায়ারের স্পেসিফিকেশন

সাধারণ তথ্য :
বাইক ক্যাটাগরি (সিসি) : ১৫০ সিসি
টাইপ: স্পোর্টস কমিউটার
শেড/কালার : কোয়ান্টাম রেড, মাচো ব্ল্যাক, র‌্যাপিড হোয়াইট
ফ্রেম/চেসিস : ডায়মন্ড স্টিল (ট্রাস ফ্রেম)

ইঞ্জিন, ক্ষমতা ও টর্ক :
ডিসপ্লেসমেন্ট : ১৪৯.১৬ সিসি
সর্বোচ্চ ক্ষমতা : ১৬.৮ বিএইচপি @ ৯০০০ আরপিএম
সর্বোচ্চ টর্ক : ১৩.৮ নিউটন মিটার @ ৭০০০ আরপিএম
ইঞ্জিনের বিবরণ : ৪-স্ট্রোক, ডিওএইচসি, ৪-ভাল্ব, সিঙ্গেল সিলিন্ডার
কুলিং : লিকিইড কুলিং
ইগনিশন : ফুল ট্রানজিস্টরাইজড
কম্প্রেশন রেশিও : ১১.৩:১
বোর : ৫৭.৩ মিমি
স্ট্রোক : ৫৭.৮ মিমি
সিলিন্ডার সংখ্যা : ১টি

ট্রান্সমিশন :
হিয়ারবক্স: ৬-স্পিড ম্যানুয়াল
ক্লাচ : ওয়েট মাল্টি প্লেট
শিফট টাইপ : ১-নিউট্রাল-২-৩-৪-৫-৬

ব্রেক :
সামনের ব্রেক : ডুয়েল টিস্টনযুক্ত ২৭৬ মিমি হাইড্রলিক ডিস্ক
পিছনের ব্রেক : সিঙ্গেল পিস্টযুক্ত ২২০ মিমি হাইড্রলিক ডিস্ক

সাসপেনশন:
সামনে : টেলিস্কোপিক
পিছনে : সিঙ্গেল সুইং আর্ম (প্রো-লিঙ্ক সাসপেনশন সিস্টেম)

চাকা ও টায়ার :
সামনে : ১০০/৮০-১৭ ৫২পি
পিছনে : ১৩০/৭০১৭ ৬২পি
চাকা : অ্যালয়
টিউবলেস টায়ার
ব্যাটারি :
ব্যাটারি টাইপ : মেনট্যানেন্স ফ্রি
ক্যাপাসিটি : ৫ অ্যাম্পিয়ার আওয়ার
ভোল্টেজ : ১২ ভোল্ট

আয়তন, ওজন ও ধারণক্ষমতা :
দৈর্ঘ্য : ২০১৯ মিমি
প্রস্থ : ৭১৯ মিমি
উচ্চতা : ১০৩৯ মিমি
ভূমি থেকে উচ্চতা : ১৬৯ মিমি
সিটের উচ্চতা : ৭৯৭ মিমি
হুইলবেজ : ১২৯৩ মিমি
শুকনো ওজন : ১৩৬ কেজি
জ্বালানি ধারণ ক্ষমতা : ১২ লিটার
তেল ধারণ ক্ষমতা : ১ লিটার

ইন্সট্রুমেন্ট কনসোল :
স্পিডোমিটার : ডিজিটাল
টেকোমিটার : ডিজিটাল
ট্রিপ মিটার : ডিজিটাল
ওডোমিটার : ডিজিটাল
ফুয়েল গজ : ডিজিটাল

আরাম ও সুবিধা :
ইলেকট্রিক স্টার্ট : হ্যা
পিলিয়ন ফুটরেস্ট : হ্যা
পাস লাইট : হ্যা
পিলিয়ন ব্যাকরেস্ট : না
স্টেপ-আপ সিট/ স্প্লিট সিট : হ্যা
পিলিয়ন গ্র্যাব রেইল : হ্যা

লাইটিং
হেড লাইট : ১২ ভোল্ট ৬০/৫৫ ওয়াট এইচ৪

এই আর্টিকেলটি পূর্বে ইংরেজিতে প্রকাশ করা হয়েছে।

About মাহামুদ সেতু

হ্যালো রাইডারস, আমি মাহামুদ সেতু। থাকি রাজশাহীতে, পড়াশোনাও রাবি’তে। যদিও আমার নিজস্ব কোনো বাইক নেই, তারপরও আমি কিন্তু বাইকের ব্যাপারে পাগল। এক্ষেত্রে আমাকে ‘চন্দ্রাহত’ও বলতে পারেন, মানে ওই দূর থেকে চাঁদের (আমার ক্ষেত্রে বাইক) প্রেমে পাগল হয় যারা, তারা আর কি। যাই হোক, মূল কথায় আসি। গত দুই বছর ধরেই আমি বাইকবিডি.কমের নিয়মিত পাঠক। এখান থেকেই আমি বাইক সম্পর্কে আমার জ্ঞানতৃষ্ণা নিবারণ করেছি। ব্লগের সবগুলো লেখাই একাধিকবার পড়েছি। এখানেই জানতে পারলাম বাইক মোডিফিকেশন সম্পর্কে। শেষমেশ এখন তো সিদ্ধান্তই নিয়ে ফেলেছি, বাইক নিয়েই কাজ করবো। মানে, বাইক মোডিফিকেশনটাকেই পেশা হিসেবে নিতে চাচ্ছি। জানি কাজটা কঠিন, তারপরও আমি আশাবদী। আমার জন্য দোয়া করবেন। অবশ্য বাইক মোডিফিকেশন নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী হওয়ার পিছনে আরেকটি কারণ রয়েছে। দেশে এতো এতো সুন্দর, দ্রুতগতির ও ভালো বাইক (বাংলাদেশে আইনত যার সর্বোচ্চ সীমা ১৫০সিসি) আছে, অথচ আমার পছন্দ হোন্ডা সিজি ১২৫। আমার খুবই ইচ্ছা এই ক্ল্যাসিক বাইকটি কিনে নিজের হাতে মোডিফিকেশন করার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Sign up to our newsletter!


error: সকল লেখা সুরক্ষিত !!