১০ টা রাইডিং টিপস যেগুলো আপনি হয়ত জানেন না

বাইক রাইডিং এর ক্ষেত্র্রে প্যাশন রয়েছে এমন মানুষের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে । আর সেই সাথে বাইকের সংখ্যাও । আর মানুষ দিনি বাইককে বিভিন্ন কাজে ইউজ শুরু করেছে । বর্তমানে তরুন প্রজন্মের কাছে বাইক হল একটা নেশার মত । তারা বাইক নিয়ে রেসিং , স্ট্যান্টিং প্রভৃতি করে থাকে । তাদের মজার স্থান যেন ওই একটাই । তাই আজ আমি বাইক রাইডিং নিয়ে বেশ কিছু টিপস দিতে হাজির হলাম আপনাদের কাছে । আজকের এই টিপসগুলো হল বাইক রাইডিং এর সেফটি ও বিভিন্ন কলাকৌশল সম্পর্কে । ট্রাফিকের ভেতর ভাল ব্যালান্সের জন্য পেছনের ব্রেক ইউজ করুন বেশী ট্রাফিকের ভেতর বাইক রাইড করা…

Review Overview

User Rating: 4.41 ( 4 votes)

বাইক রাইডিং এর ক্ষেত্র্রে প্যাশন রয়েছে এমন মানুষের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে । আর সেই সাথে বাইকের সংখ্যাও । আর মানুষ দিনি বাইককে বিভিন্ন কাজে ইউজ শুরু করেছে । বর্তমানে তরুন প্রজন্মের কাছে বাইক হল একটা নেশার মত । তারা বাইক নিয়ে রেসিং , স্ট্যান্টিং প্রভৃতি করে থাকে । তাদের মজার স্থান যেন ওই একটাই । তাই আজ আমি বাইক রাইডিং নিয়ে বেশ কিছু টিপস দিতে হাজির হলাম আপনাদের কাছে । আজকের এই টিপসগুলো হল বাইক রাইডিং এর সেফটি ও বিভিন্ন কলাকৌশল সম্পর্কে ।

ট্রাফিকের ভেতর ভাল ব্যালান্সের জন্য পেছনের ব্রেক ইউজ করুন

বেশী ট্রাফিকের ভেতর বাইক রাইড করা হল অন্যতম একটা কঠিন কাজ ।এসময় রাইডিং এর স্পীড অনেক কম থাকে এবং আপনাকে সবসময়ই আশেপাশের পরিস্থিতি সম্পর্কে লক্ষ্য রাখতে হয় ।

সাধারণত আপনি হয়ত ট্রাফিকের ভেতর বাইকের সামনের ব্রেকটাই ইউজ করেন বেশী । কারণ এর স্টপিং পাওয়ার বেশী । কিন্তু ট্রাফিকের ভেতর সামনের ব্রেক ইউজ করলে আপনার বাইকের সমস্ত ভার গিয়ে পড়ে সামনের চাকার উপর এবং সেখান থেকে আবার এক্সেলেরেট করতে গেলে আপনাকে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয় । যেমন অনেক সময় হার্ড ব্রেকিং এর ফলে আপনার বা্ইকটি পড়ে যেতে পারে বা আপান কন্ট্রোল হারিয়ে ফেলতে পারেন । আর হঠাৎ করে সামনের ব্রেক ধরলে চাকাও স্লিপ করতে পারে । কিন্তু , আপনি যদি ট্রাফিকের ভেতর আপনার পেছনের ব্রেকটি ইউজ করেন তাহলে এটা আপনাকে আরও বেশী কন্ট্রোল দিবে । হয়তবা এর স্টপিং পাওয়ার একটু কম , তারপরও এই পেছনের ব্রেক ইউজ করলে এটা আপনাকে ভাল ব্যাল্রন্স দেবার পাশাপাশি বাইকের বিভিন্ন পার্টসের ক্ষয়ও রোধ করে ।

১০ টা রাইডিং টিপস যেগুলো আপনি হয়ত জানেন না

গিয়ার অনুসারে থ্রোটল ওপেন করুন

সবসময় ব্রেকিং এর সময় গিয়ার কমিয়ে আনুন । কারণ , কম গিয়ারে বাইক বেশী RPM এ যেতে পারে না । ফলে গিয়ার কম থাকলে অটোমেটিকলি একটা ব্রেকিং হয়ে যায় । অবশ্য এটা একটা প্রাকটিসের বিষয় । আপনি আস্তে করে ব্রেকটা ধরে এবং অন্য হাতে ক্লাচ ধরে আপনার গিয়ার কমিয়ে ফেলুন ,এই সময় আপনি থ্রোটলটা এই গিয়ারে যেমন থাকা উচিৎ , অর্থাৎ যেমন থাকলে বাইকটি অতিরিক্ত শব্দ করবে না সে রকম ধরুন এবং ক্লাচ ছেড়ে দিন । এর ফলে দেখবেন আপনার বাইকের স্পীড অটোমেটিকলি কমে গেছে । পুরো ব্যাপারটা একবারে না করে প্রাকটিসের মাধ্যমে এটাতে এ্যাকুরেসি আনুন ।

কর্নারিং এর জন্য আস্তে করে পেছনের ব্রেক ধরুন

কর্নারিং হল সবার কাছেই একটা বেশ চ্যালেঞ্জিং জিনিস । এটা দ্রুত করতে পারলে বাইক রাইডিং এর অনেকটাই আয়ত্ত্ব হয়ে যায় । যে যত নিখুতভাবে কর্নারিং করতে পারে , সে তত দ্রুত বাইক রাইড করতে পারে । কারণ , কর্নারে গিয়ে স্পীড কমে গেলে সেখানে একজন রাইডার অনেক পিছিয়ে পড়েন ।

কর্নারিং এর ক্ষেত্রে আাপনি ব্রেকিং করতে পারেন । কিন্তু আপনি যদি এসময় সামনের ব্রেক ইউজ করেন তাহলে এটা আপনার স্পীড অনেক কমিয়ে দিবে এবং সেখান থেকে স্পীড আপ করতে আপনার বেশ টাইম লাগবে । তাই কর্নারিং এর সময় আপনার পেছনের ব্রেক ইউজ করা উচিৎ । কারণ , এটা আপনার বাইকের স্পঅড খুব একটা কমিয়ে দিবে না আবার সেফলি ও দ্রুত কর্নারিং এর সুযোগ করে দেবে । আপনি প্রথমে কর্নারিং এর সময় সামান্য পেছনের ব্রেকটা ধরে কর্নারিং করৃন । এরপর কর্নারেং এর ঠিক আগে ব্রেক এপ্লাই করুন । এভাবে ব্রেকিৃ এর টাইম পর পর কমিয়ে আনতে চেষ্ট করুন । এভাবে প্রাকটিস করলে আপনি একসময় আপনার সঠিক ব্রেকিং এর লিমিট ও টাইমিং সম্পর্কে ভালভাবে বুঝে যাবেন । এটা আপনাকে অনেক ফাস্ট কর্নারিং করতে দিবে । এটা আপনাকে অনেক সেফটিও দিবে ।কারণ , পেছনের ব্রেক এপ্লাই করলে বাইক স্লিপ করার সম্ভাবনাও অনেক কম থাকে ।

কর্নারে কেমনভাবে রাইড করবেন

ধরূন আপনি এমন একটা স্থানে রয়েছেন যেখান থেকে আপনি রাস্তুর পরের অংশটুকু দেখতে পাচ্ছেন না । অর্থাৎ , আপনি একটা কর্নারে এ রয়েছেন এবং এই কর্নারের অপার পাশে আপনি কিছুই দেখতে পাচ্ছেন না । এক্ষেত্রে যেখানে রোডের দুই সাইডই একসাথে মিলিত হয়েছে সেই পয়েন্টে দেখুন । যদি দেখতে পান যে সেই পয়েন্টটি আপনার থেকে একই দুরত্বে থেকে যাচ্ছে তাহলে বুঝবেন যে মোড়টা আপনার থেকে বেশ দূরে । যদি রাইডিং এর সময় এটা আপনার দিকে পরপর এগিয়ে আসে তাহলে বুঝবেন যে এটা বেশ সংকীণূ একটা মোড় বা কর্নার । ফলে এসময় এক্সেলেরেট না করাই ভাল । আর যদি দেখতে পন যে কর্নারের অপর পাশে আপনি দেখতে পাচ্ছেন , তাহলে এক্সেলেরিটিং শুরু করুন ।

প্রাকটিস করতে থাকুন

ইন্জিনের জোরে শব্দ , বাইকের উজ্জ্বল রং বা বে ভাল টায়ার কোনটাই আপনাকে সেফ এবং ফাস্ট রাইডিং এ সাহায্য করবে না । কিন্তু আপনার প্রাকটিস এটা করতে পারে । আপনার টাইম এবং টাকা বাইক রাইডিং এ প্রাকটিসের পেছনে খরচ করুন । ভাল রাইডিং গুলো প্রাকটিস করুন এবং রাইডিং এর পেছনে টাইম দিন । ভাল রাইডিং এর টেকনিকগুলো জানার চেষ্ট করুন । এভাবেই আপনি একজন ভাল রাইডার হয়ে উঠতে পারেন ।

আপনার হাতের কনুই এর ব্যাবহার

একথা সবাই বলে থাকেন যে ভাল রাইডিং এর জন্য আপনার ওজন সবসময় আপনার হাতের উপর ছেড়ে দিতে হবে । ফলে আপনি বেশ দ্রুত ও সেফলি রাইড করতে পারবেন । কিন্তু ব্রেকিং এর সময় এই কাজটা অনেক কঠিন হয়ে যায় । হাতের উপর শরীরের ভর ছেড়ে দিলে ব্রেকিং এর সময় বেশ অস্বস্তিতে পড়তে হ য় । তাই , এ্ই সময় আপনার দুই কনুই এর ভর বাইকের ফুয়েল ট্যাঙ্কের উপর ছেড়ে দিন (স্পোর্টস বাইকের ক্ষেত্রে) । আর শরীরের ভর কনুই এর উপর । ফলে বিষয়টা আপনার কাছে অনেক সহজ হয়ে যাবে ।

About শুভ্র সেন

সবাইকে শুভেচ্ছা । আমি শুভ্র,একজন বাইকপ্রেমী । ছোটবেলা থেকেই মোটরসাইকেলের প্রতি আমার তীব্র আগ্রহ রয়েছে । যখন আমি আমার বাড়ির আশেপাশে কোন মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনের শব্দ শুনতে পেতাম, আমি তৎক্ষণাৎ মোটরসাইকেলটি দেখার জন্য ছুটে যেতাম ।২ বছর ধরে গবেষণা ও পরিকল্পনার পর আমি এই ব্লগটি তৈরী করি । আমার লক্ষ্য হল বাইক ও বাইক চালানো সম্পর্কে বাংলাদেশের মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেয়া । সবসময় নিরাপদে বাইক চালান । আপনার বাইক চালানো শুভ হোক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Sign up to our newsletter!


error: সকল লেখা সুরক্ষিত !!