Honda CB150R Streetfire Special Edition মালিকানা রিভিউ – লিখেছেন: কায়সার পারভেজ

শুভেচ্ছা রাইডার্স। আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমি বর্তমানে যে বাইকটি রাইড করছি তা হলো Honda CB150R Streetfire Special Edition । অনেক দিন ধরে বাইকার ভাইয়েরা এই বাইকটির সম্পর্কে রিভিউ চাচ্ছেন। তাই ১১০০০কি,মি রাইডের পর আজ আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম  রিভিউ। Honda CB150R Streetfire এর টিম বাইকবিডি টেস্ট রাইড রিভিউ দেখতে এখানে ক্লিক করুন Honda CB150R Streetfire Special Edition বাইকটা ২০১৬ এর ডিসেম্বর মাসের ১৯ তারিখ মুরাদপুর,চট্টগ্রাম থেকে ক্রয় করি। ব্রেক ইন পিরিয়ড মেইনটেইন করেছি। অন্য সব স্পোর্টস বাইক এর মত। অনেকেই বলতে পারেন স্পোর্টস বাইকের ব্রেক ইন পিরিয়ড কি আলাদা হয়? হ্যা সাধারনত দুই ভাবে ব্রেক ইন করা যায় স্পোর্টস বাইকে।…

Review Overview

User Rating: Be the first one !

শুভেচ্ছা রাইডার্স। আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমি বর্তমানে যে বাইকটি রাইড করছি তা হলো Honda CB150R Streetfire Special Edition । অনেক দিন ধরে বাইকার ভাইয়েরা এই বাইকটির সম্পর্কে রিভিউ চাচ্ছেন। তাই ১১০০০কি,মি রাইডের পর আজ আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম  রিভিউ।

Honda CB150R Streetfire এর টিম বাইকবিডি টেস্ট রাইড রিভিউ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

honda streetfire special edition

Honda CB150R Streetfire Special Edition বাইকটা ২০১৬ এর ডিসেম্বর মাসের ১৯ তারিখ মুরাদপুর,চট্টগ্রাম থেকে ক্রয় করি। ব্রেক ইন পিরিয়ড মেইনটেইন করেছি। অন্য সব স্পোর্টস বাইক এর মত। অনেকেই বলতে পারেন স্পোর্টস বাইকের ব্রেক ইন পিরিয়ড কি আলাদা হয়? হ্যা সাধারনত দুই ভাবে ব্রেক ইন করা যায় স্পোর্টস বাইকে।

HonDa CB150R Streetfire Special Edition এর লেটেস্ট বিক্রয়মূল্য দেখতে এখানে ক্লিক করুন

honda cb150r

আমার স্ট্রীটফায়ার বাইকটির ১০০০ কি,মি এর মধ্যে দুইবার মিনারেল ইন্জিন অয়েল চেইন্জ করেছি। এরপর আরও ১০০০ কি,মি চালালাম মিনারেল ইন্জিন অয়েল দিয়ে। এরপর থেকে সিন্থেটিক অয়েল ব্যবহার করছি। আর ৩০০০কি,মি পরপর চেইন্জ করছি। ১১০০০কি.মি পর্যন্ত বাইকের কয়েকটা জিনিস পাল্টানোর প্রয়োজন পড়েছে । এগুলো হলো – চেইন টেনশনার, ফ্রন্ট ব্রেকশু, চেইন সকেট,এয়ার ফিল্টার এবং চেইন। প্রতিটি বাইকের ভাল এবং মন্দ দুই মিলেই থাকে।

হোন্ডা স্ট্রীটফায়ার এর ফুল স্পেসিফিকেশন দেখতে এখানে ক্লিক করুন

honda cb150r streetfire special edition

Honda CB150R Streetfire Special Edition বাইকটির ভাল দিক গুলো আগে বলছি। বাইকটির ব্রেকিং সিস্টেমটা অসাধারন। বাইকটি যে কেউ বসে একটানা ২ঘন্টা ড্রাইভ করলেও ক্লান্তি বোধ করবেনা। কমফোর্ট একটা বাইক বলা চলে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে এটিতে টপ স্পিড উঠে যায়। এর হেড লাইট এলইডি হওয়ার কারনে পর্যাপ্ত আলো পাওয়া যায়।

honda cb150r streetfire review

লং ড্রাইভ এর জন্য এবং শহরের ব্যাস্ত রাস্তার জন্য দু জায়গাতেই বাইকটি ভাল সাপোর্ট দেয়। ছোটখাট যায়গা দিয়েও এই বাইক অনায়াসে বের হয়ে যেতে পারে। Honda CB150R Streetfire Special Edition এর চাকা গুলোও ভালো মানের যার কারনে কর্নারিং এ কোন অসুবিধা হয়না। এর সাসপেনশনগুলো ভাল মানের যা অফরোডিং এ ভাল সাপোর্ট দেয়। এর পিলিয়ন সিটটি কমফোর্টেবল এবং গ্র্যাব রেইল থাকার কারনে পিলিয়ন কমফোর্ট ফিল করে। এটির মাইলেজ পেয়েছি সিটির মধ্যে ৩৭ এবং হাইওয়ে তে ৪৩ এর মত।

honda streetfire top speed

এবার হোন্ডা স্ট্রীটফায়ার এর কয়েকটা খারাপ দিক বলছি। বাইকটি হেড লাইটটি AHO- অটোমেটিক হেডলাইট অন সিস্টেম হওয়ার কারনে সবাই মনে করে যে হেড লাইট জ্বলছে। এর সামনের চাকার মাডগার্ডটা ছোট এবং পিছনের চাকায় কোন মাডগার্ড না থাকার কারনে বর্ষাকালে প্রচুর কাদা ছিটায়। এর কোন পাস সুইচ নেই যেটা খুব দরকার ছিল। এর রেডিয়েটরে কোন কাভার নেই তাই এতে খুব সহজে ভাবে ধুলাবালি ঢুকে যেতে পারে। এর জন্য কোন ক্রাশ গার্ড বা বাম্পার বাজারে আসেনি যেটা খুব দরকার। এর স্টক হর্ন টা তেমন জোরালো নয়।

honda streetfire review

যাই হোক এতকিছুর পরও বলবো হোন্ডা স্ট্রীটফায়ার বাইকটাতে উঠে বসলে এইসব নাই এর কথা আর মনে থাকেনা। যতই চালাচ্ছি বাইকটি যেন পারফর্ম আরও ভাল করছে।

honda streetfire performance

আশা করি সবাই Honda CB150R Streetfire Special Edition সম্পর্কে একটু হলেও ধারনা পেয়েছেন। আশা করি রিভিউটি সবার ভালো লেগেছে। অনেক কথাই লিখলাম। এর মধ্যে কিছু ভুল ত্রুটি হতে পারে। তাই সবাই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। সবাই সর্বদা সাবধানে চলাচল করুন। সর্বদা হেলমেট ব্যবহার করুন।

ধন্যবাদ সবাইকে। ভাল থাকবেন।

লিখেছেন – কায়সার পারভেজ

About আহমেদ স্বজন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: সকল লেখা সুরক্ষিত !!