রানার মোটরবাইকের নতুন অফার

Lifan KPR150 মালিকানা রিভিউ লিখেছেন আসিফ উদ্দিন

আমি মোঃআসিফ উদ্দিন, আমি রামপুরাতে থাকি ২০০৫ সাল থেকে। আমার বয়স ৩১ বছর। যখন আমি প্রথম শ্রেনীতে পড়ি তক্ষণ থেকে আমার বাইকের প্রতি খুবই আগ্রহ। শুরুতে আমার বাবা কে বাইক চালাতে দেখে আমার বাইকের প্রতি আগ্রহ আরো বেড়ে যায়। আমার বাবা ছিল আমার অনুপ্রেরনা। আমার প্রথম বাইক ছিল Hero Glamour (125 cc) এটা কিনি ০১ জানুয়ারি ২০০৭ যখন আমার পড়াশুনা শেষ হয়। এটা আমার বাবার কাছ থেকে পাওয়া সবচেয়ে বড় উপহার। আমি বাইক চালানো শিখি আমার বাবার কাছ থেকে। আমার সর্বশেষ বাইক হচ্ছে Lifan KPR150। আজ আমি আপনাদের আমার Lifan KPR150 বাইকের সম্পর্কে রিভিউ লিখছি। কেন আমি বাইকিং ভালোবাসি...? এটা উত্তর…

Review Overview

User Rating: 4.6 ( 1 votes)

আমি মোঃআসিফ উদ্দিন, আমি রামপুরাতে থাকি ২০০৫ সাল থেকে। আমার বয়স ৩১ বছর। যখন আমি প্রথম শ্রেনীতে পড়ি তক্ষণ থেকে আমার বাইকের প্রতি খুবই আগ্রহ। শুরুতে আমার বাবা কে বাইক চালাতে দেখে আমার বাইকের প্রতি আগ্রহ আরো বেড়ে যায়। আমার বাবা ছিল আমার অনুপ্রেরনা। আমার প্রথম বাইক ছিল Hero Glamour (125 cc) এটা কিনি ০১ জানুয়ারি ২০০৭ যখন আমার পড়াশুনা শেষ হয়। এটা আমার বাবার কাছ থেকে পাওয়া সবচেয়ে বড় উপহার। আমি বাইক চালানো শিখি আমার বাবার কাছ থেকে। আমার সর্বশেষ বাইক হচ্ছে Lifan KPR150। আজ আমি আপনাদের আমার Lifan KPR150 বাইকের সম্পর্কে রিভিউ লিখছি।

কেন আমি বাইকিং ভালোবাসি…? এটা উত্তর দেয়া আমার জন্য কঠিন কারন বাইকিং এর যে অনুভূতি তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না, তবুও বলব যে আমি বাইকিং ভালোবাসি কারন এটি আরামদায়ক, সময় এবং খরচ বাচায়, এবং রক্ষনাবেক্ষন করা সহজ। আমার প্রথম বাইক Hero Glamour কেনার কারন ছিল এর কম দাম এবং জ্বালানী সাশ্রয়ী। এরপর আমি ২০০৭ এর অক্টোবর এ Hero Honda  এর Hunk কিনি।

lifan kpr ownership review

যেহেতু আমি মধ্যবিত্ত পরিবারে থাকি, তাই আমি কিছু দিক চিন্তা করে যেমনঃ আরামদায়ক, মূল্য, এবং এর আউটলুক, এখানে সবচেয়ে বড় বিষয়টি হচ্ছে মূল্য যা আমাদের মত মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকদের জন্য উপযোগী। আমি প্রায় ৯ বছর এই বাইকটি ব্যাবহার করি। এরপর ২০১৬ সালের মে মাসে আমি Lifan KPR 150 কিনি।

প্রায় ৯ বছর Hunk ব্যাবহার করার পর আমার বাইকের পরিবর্তন করা জরুরী হয়ে পরে, তখন আমার পছন্দে ছিল রেসিং / স্পোর্টি বাইক। কিন্তু আমরা জানি যে সরকারী ট্যাক্স এর কারনে রেসিং / স্পোর্টি টাইপের বাইকগুলোর দাম তুলনা মূলক বেশি হয়।  তাই আমার সাধ্যের মধ্যে Lifan KPR ছিল সবচেয়ে যোগ্য বাইক। তাই আমি Lifan KPR 150 বাইকটি কিনি।

আমি Lifan KPR150 বাইকটি রাসেল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড এর লালমাটিয়া শাখা থেকে কিনি। আমি এর মূল্য বাবদ ১৯৭,০০০ টাকা পরিশোধ করি, এর মধ্যে ১৮২,০০০ টাকা বাইকের মূল্য এবং ১৫,০০০ টাকা বাইকের রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য। যেদিন আমি বাইকটি কিনতে যাই সেই দিন আমার C.A. Professional এক্সাম ছিল কিন্তু বাইক কেনার উত্তেজনায় আমার এক্সাম এর ভয় দূর হয়ে গেছিলো।

আমি সেই দিন সকালে প্রায় ১০ টার সময় লালমাটিয়ায় উপস্থিত হই। সকাল ১১.৩০ এর মধ্যে সকল কাজ শেষ হ্যর যায়, কিন্তু তারপরও আমার আরো কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় ,কারন আমার পছন্দের লাল রংয়ের KPR টি অন্য এক শোরুম থেকে আনতে হয়েছে যা বনানী তে ছিল। এরপর প্রায় ১.৩০ এর সময় আমি আমার পছন্দের KPR টি হাতে পাই এবং এক্সাম এর জন্য যাই।

lifan kpr150

Lifan KPR150 – কেন?

আমি KPR এর প্রথম দেখাতেই প্রেমে পরে যাই। পরে এর সম্পর্কে খোজ খবর নিয়ে যান্তে পারি যে এর মূল্য আমার সাধ্যের মধ্যে। সবচেয়ে বড় যে বিষয় তা হচ্ছে এর ৪ স্ট্রোক ইঞ্জিন সিলিন্ডার, ওয়াটার কুলড ইঞ্জিন, ৬ স্পিড গিয়ার বক্স, ২ বছর বা ২০,০০০ কিঃ মিঃ পর্যন্ত ইঞ্জিন ওয়ারেন্টি। এর স্পীড, রেডি পিক আপ, কন্ট্রোল, ব্রেকিং, এবং বিক্রোত্ত সেবা সব দিক দিয়ে KPR সেরা। KPR বাংলাদেশ এর জন্য সেরা রেসিং বাইক।

Lifan KPR150 – প্রথম রাইড

আমার KPR এর সাথে প্রথম রাইডটি ছিল অসাধারন, যদিও প্রথম দিন একটু তারাহুরা করতে হয়েছে কারন আমার ২ টার সময় এক্সাম ছিল। যখন আমি KPR নিয়ে বাইরে আসি তখন সবাই এর দিকে তাকিয়ে ছিল কারন তখন Lifan KPR150 বাইকটি রাস্তায় খুব কমই ছিল, এছাড়া এর আউটলুকটিও ছিল অসাধারন যা যেকোন মানুষের নজর কাড়তে সক্ষম।

KPR150 বাইকের গিয়ার শিফটিং Hunk এর তুলনায় একটু কঠিন। যদিও প্রথম দিম আমার পিছনে কোমড়ে ব্যাথা শুরু হয়েছিল কিন্তু প্রথম রাইডিং এর অনুভূতি ছিল ভাষায় প্রকাশ করার মত না।

Lifan KPR 150 – ফিচার

এর ইঞ্জিন ১৫০cc, ৪ স্ট্রোক সিঙ্গেল সিলিন্ডার, ওয়াটার কুলড ইঞ্জিন, এর BHP হচ্ছে 14.88 BHP @ 8500 RPM এবং এর টর্ক হচ্ছে 14 Nm @ 6500 RPM, এটি ৬ স্পিড গিয়ার বক্স সমৃদ্ধ, এর কমপ্রেশন রেশিও হছে 11.4.1, এর ফুয়েল ট্যাংক এ  ১৭.৫ লিটার তেল ধরে যার মধ্যে ২.৫ লিটার রিজার্ভ, এর ওজন ১৫০ কেঃ জিঃ, সামনে এবং পিছনে হাইড্রলিক ডিস্ক ব্রেক ব্যাবহার করা হয়েছে, এর সামনের টায়ারের সাইজ 90/90-17 এবং  পিছনের টায়ারের সাইজ 120/80-17. এছাড়া ২ বছরে বা ২০,০০০ কিঃ মিঃ পর্যন্ত ইঞ্জিন ওয়ারেন্টি।

Lifan  KPR150 – রাইডিং  অনুভূতি

প্রথম দিকে KPR এ রাইডিং এর সময় পিছনে এবং কোমড়ে ব্যাথা হত, কিনু আস্তে আস্তে এই সমস্যা চলে গিয়েছে। ব্রেকিং পিরিয়ড এর সময় আমি এটি চালিয়ে বেশি আরাম পাইনি, কারন আমাকে RPM  ৪ থেকে ৬  এবং স্পিড ৬০ কিঃ মিঃ/ঘঃ থেকে ৭০ কিঃ মিঃ/ঘঃ রাখতে হয়েছে। ব্রেকিং পিরিয়ড পার করা যেকোন বাইকার এর জন্য একটি কঠিন পরীক্ষা বিশেষ করে যাদের কাছে এই রেসিং টাইপের বাইক থাকে।

ব্রেকিং পিরিয়ড  শেষ হবার পরে আমার বাইকটি আরও স্মুথ হইয়েছে আগের তুলনায়। KPR150 এর রেডি পিকআপ, স্পিড। ব্রেকিং, কন্ট্রোলিং আমার পেতিদিন এর রাইডের জন্য খুবই উপযোগী। এর খারাপ দিক গুলোর মধ্যে এর পিছনের মনো সাসপেনশন আমার এই বাইকটির জন্য উপযোগী মনে হয়নি, এছাড়া মাঝে মাঝে রাস্তায় জ্যাম  এর মধ্যে আর ইঞ্জিন অনেক গরম হয়ে যায়।এছারা আর কোনো বড় সমস্যার সস্মুখীন হইনি। হাইওয়েতে এর পারফরমেন্স সত্যি অসাধারন যা আপনাকে মুগ্ধ করবে। সব মিলিয়ে এর পারফরমেন্স খুবই ভাল এবং হাইওয়েতেও অসাধারন।

lifan kpr150 bd

Lifan KPR150 – সার্ভিসিং

রাসেল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড এই বাইকটির জন্য ২ বছরের বা ২০,০০০ কিঃ মিঃ পর্যন্ত ইঞ্জিন এর ওয়ারেন্টি দিচ্ছে, সাথে দিচ্ছে ৬ টি সম্পূর্ন ফ্রি সার্ভিসিং যা তাদের নিজস্ব সার্ভিস সেন্টারে গিয়ে নিতে হয়। আমি মনে করি যেকোন ছোট খাট সমস্যার জন্য সার্ভিস সেন্টারে না গিয়ে বড় কোন সমস্যা হলে যাওয়া উচিত।

বিগত দেড় বছরে আমি মাত্র ৩ বার তাদের সার্ভিস সেন্টারে গিয়েছি। কিন্তু আমি আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে আমার এখন পর্যন্ত রাসেল ইন্ডাষ্ট্রিজ থেকে সম্পূর্ন সার্ভিসিং এর প্রয়োজন পরে নি। আমি আমার বাইকের ছোট খাট সমস্যা গুলো স্থানীয় মেকানিক দিয়ে ঠিক করে নিয়েছি। নতুন বাইকের ক্ষেত্রে নিয়মিত সার্ভিসিং সেন্টারে সার্ভিসিং করানো ভালো, তবে অতিরিক্ত সার্ভিসিং করানো খারাপ হতে পারে(এটা সব সময় সত্ত্যি নাও হতে পারে)।

Lifan KPR150 – মাইলেজ

বেশিরভাগ সময় আমি শহরের ভিতরে রাইডিং করেছি, সেক্ষেত্রে আমি ৩৫ থেকে ৩৮ কিঃ মিঃ/লিঃ মাইলেজ পেয়েছি। যদিও আমি আমার বাইকের কিছু মডিফিকেশন করানোর কারনে এখন ২৫ থেকে ২৮ কিঃ মিঃ/লিঃ এর মত মাইলেজ পাচ্ছি।

Lifan KPR150 – বেসিক মেনটেন্যান্স  ও যত্ন

একজন ব্যাংকার, বাবা এবং ছাত্র হিসেবে প্রতিদিন আমাকে অনেক ব্যাস্ত থাকতে হয়। কিন্তু আমি প্রতিদিনই চেষ্টা করি আমার বাইকের যত্ন নিতে যেমন শ্যাম্পু দিয়ে ওয়াশিং, কেরসিন দিয়ে চেইন ক্লিনিং ইত্যাদি। আমি আমার বাইকের পলিশ আমি নিজ হাতে করি, কারন এটি আমার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন। আমি আমার বাইককে সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্ঠা করি, যদিও বৃষ্টি এর সময় এটি অনেক কঠিন হয়ে পরে।

Click Here For Lifan KPR150 Test Ride Review

Lifan KPR150 – ইঞ্জিন অয়েল

ব্রেকিং পিরিয়ডের সময় আমি মিনারেল ইঞ্জিন অয়েল ব্যাবহার করেছি, এক্ষেত্রে Shell Advanced 250w40 ব্যাবহার করেছি যার মুল্য ৪২০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা এর মধ্যে। এখন ব্যাবহার করছি মটুল 15w50 ফুল সিন্থেটিক ইঞ্জিন অয়েল যার মূল্য প্রায় ১৫৫০ টাকা। আমার বাইকের ২২০০ কিঃমিঃ শেষ করার পর আমি আমার বাইকের সম্পূর্ন ইঞ্জিন অয়েল ফেলে দিয়ে নতুন করে ইঞ্জিন অয়েল ঢেলেছি। আমি আমার বাইকের ইঞ্জিন অয়েল এর ব্যাপারে খুবই সতর্ক থাকি। আমি প্রতি ১০০০কিঃমিঃ বা ১৫০০কিঃমিঃ পার হলে নতুন করে ইঞ্জিন অয়েল দেই।

Lifan KPR150 – Accessories/parts changed 

ChangedParts Odometer
(In Kilometer)
Customized/Installed
accessories
Reasons for Modification
Rear hydraulic disk break 2200 Stock one (from RIL) Stock one is good but breakpad is not up to mark. So disk got scratched.
Tires (both)

Front 90-90/17

Rear 120-80/17

1500 Pirelli sport demon

Front 90-90/17

Rear 130-80/17

To increase performance and control though it wasn’t mandatory.
Breakpad (front) 3500 RTR front breakpad Required to be changed though it wasn’t mandatory.
Breakpad (rear) 2200 & 5500 Trigger rear breakpad Required to be changed due to poor breakpad
Coli plug cable 6000 Racing coil plug from China (designated for KPR) Increase bike performances specially acceleration and speed though it wasn’t mandatory.
Stock spark plug (normal) Forgot!! Iridium spark plug
Air filter 5000 K&N racing air filter
Chain sprocket (Full set) 5500 CBR 46 Tooth and 14 Tooth (KPR stock)
Chain rubber 5500 Stock Abolished due to usages.
Boket 1800 Stock

Lifan KPR150 – সর্ব্বোচ্চ গতি

যেহেতু আমি প্রায় বেশিরভাগ সময় শহরের ভিতরে বাইক চালিয়েছি তাই আমি এর সম্পুর্ন স্পিড টেস্ট করার সুযোগ পাইনি।  আমি আমার বাইকের স্পীড এবং পারফরমেন্স এর উন্নতি করার জন্য কিছু মডিফিকেশন করেছি। আমার বাইকের টপ স্পিড ছিল ১০৫ কিঃমিঃ/ঘঃ, যদিও এটা মডিফিকেশন করার আগে ঢাকা-পাটুরিয়া হাইওয়েতে।

Lifan KPR150 – ভাল ও খারাপ দিক

  • ভাল দিক গুলো

১। সাধ্যের মধ্যে রেসিং বাইক।

২। আকর্ষনীয় ডিজাইন এবং মজবুত বডি কিট।

৩। ভালো গতি, স্পিড এবং কোন কম্পন নেই।

৪। ব্যালান্স, কন্ট্রোল ও ব্রেকিং

৫। রাসেল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড কতৃক দেয়া ইঞ্জিন ওয়ারেন্টি ও বিক্রয় পরবর্তি সেবা।

  • খারাপ দিক গুলো

১। লো টার্নিং রেডিয়াস

২। পার্টসের সজলভ্যতা

৩। লুকিং গ্লাসের উচ্চতা

৪। পিছনের মনো সাসপেনশন

৫। পিছনের ডিস্ক ব্রেক ও ব্রেক প্যাড

৬। ব্রেকিং পিরিয়ডে ইঞ্জিন গরম হয়ে যাওয়া, যদিও আমাদের দেশের আবহাওয়াও এর জন্য দায়ি

হতে পারে।

৭। গিয়ার সিফটিং আরও স্মুথ হওয়া প্রয়োজন।

Lifan KPR150 – সম্পর্কে কিছু কথা

KPR  আমাদের সাধ্যের মধ্যে একটি রেসিং বাইক, যদিও এটি চীনে তৈ্রি হয় বলে এর সম্পর্কে অনেক বিতর্ক আছে। বেশিরভাগ মানুষ এর স্থায়িত্ব এবং আমাদের দেশে এর পার্টসের সহজলভ্যতা নিয়ে চিন্তিত।  আমার মতে KPR ব্যালেন্সিং, কন্ট্রোলিং এবং ব্রেকিং এর এর জন্য খুব ভাল একটি বাইক।

তবে শহরে ভিতরে চালানোর জন্য এর মনো সাসপেনশন আরামদায়ক নয় কিন্তু হাইওয়েতে এটি বেশ ভাল।  যেহেতু আমি প্রায় ৯ বছর Hunk রাইড করার পর KPR কিনেছি, তাই আত্মবিশ্বাসের সাথে বলতে পারি যে নিঃসন্দেহে KPR একটি ভাল বাইক।

lifan kpr price in bd

KPR এর পার্টস / এক্সেসরিস মার্কেট এ পাওয়া যায়, তবে এর জন্য আপনাকে অনেক দিন অপেক্ষা করতে হতে পারে, তাই আমি বলব যে যদি কারও পার্টস এর বদলানোর দরকার প্রয়োজন হয় তাহলে আগে থেকে যেন খোজ নিয়ে রাখে আর পার্টস যেন রাসেল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড এর শোরুম থেকে নেয়া হয় আথবা যদি এদের কাছে না থাকে তাহলে যখন এদের কাছে পাওয়া যাবে তখন নিবেন।

আমি Lifan KPR150 এর স্থায়িত্ব নিয়ে অনেকের অনেক মত থাকতে পারে তবে যেহেতু আমি আমার ১০ বছরের বাইকিং এক্সপিরিয়েন্স থেকে বলতে পারি যদি আপনি আপনার বাইককে ভালবাসেন এবং এর ঠিক মত যত্ন নেন তাহলে আপনার বাইকের স্থায়িত্ব বেশি হবে। সবসময় নিরাপদে থাকবেন এবং হেলমেট ব্যাবহার করবেন।

About Arif Raihan opu

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*